=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

২০২৭ সালে সবদিকে খরা, প্রভাব পড়বে ভারতেও! এল নিনো নিয়ে খারাপ খবর

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এল নিনো (El Nino) নিয়ে আবারও খারাপ খবর। বদলে যেতে পারে গোটা বিশ্বের আবহাওয়া। মিলছে ভয়াবহ পরিস্থিতির ইঙ্গিত। সাম্প্রতিক জলবায়ু মডেলগুলির বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দ্রুত হারে বাড়ছে, এবং এই প্রবণতা আগামী বেশ কয়েক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি যদি একইভাবে এগোয় তাহলে ২০২৭ সাল নাগাদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আবহাওয়া সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে (Weather Update)।

এল নিনো নিয়ে বড় খবর

আসলে সাম্প্রতিক জলবায়ু মডেলগুলির বিশ্লেষণে দেখা গিয়েছে যে, ২০২৬ সালের শেষভাগ থেকে ২০২৭ সালের শুরু পর্যন্ত প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য এবং পূর্ব অংশে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই বেশি থাকতে পারে। কিছু মডেলের তাপমাত্রার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি দেখানো হচ্ছে। এমনকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছানোর সম্ভাবনার কথা উল্লেখ রয়েছে। আর যদি এই পূর্বাভাস বাস্তবে পরিণত হয়, তাহলে এটি গত কয়েক দশকের অন্যতম শক্তিশালী এল নিনো তৈরি হতে পারে বলেই মত আবহাওয়াবিদদের।

কী এই এল নিনো?

যারা জানেন না তাদের উদ্দেশ্য জানিয়ে রাখি, এল নিন হল একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা। এটি যখন ঘটে তখন প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের জল অস্বাভাবিক হারে উষ্ণ হয়ে ওঠে। এর ফলে বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক প্রবাহে পরিবর্তন আসে, এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়ার ধরন সম্পূর্ণ বদলে যায়। কোথাও কোথাও অতিবৃষ্টি, কোথাও খরা, কোথাও তীব্র তাপপ্রবাহ সবকিছুর সঙ্গেই রয়েছে এল নিনোর সম্পর্ক।

আরও পড়ুন: রেশনে দিতেই হবে উন্নত মানের চাল, গম! কড়া নির্দেশিকা জারি খাদ্য দপ্তরের

তবে বিশ্ব ইতিমধ্যেই জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে রেকর্ড উষ্ণতার মুখোমুখি। আর এর মধ্যেই যদি আবার শক্তিশালী এল নিনো তৈরি হয়, তাহলে আবহাওয়ার চরম পরিস্থিতি আরও বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে তাপ্রবাহের তীব্রতা অনেকটাই বাড়বে এবং দীর্ঘস্থায়ী খরার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি কিছু কিছু অঞ্চলে অতিবৃষ্টির ঘটনাও ঘটতে পারে, এবং বনভূমিতে দাবানলের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে। এমনকি ভারতের ক্ষেত্রে এল নিনো সবসময় গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, দেশের কৃষি এবং জনসম্পদের বড় অংশই বর্ষার উপর নির্ভরশীল। অতীতেও দেখা দিয়েছে, শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতির সময় অনেক ক্ষেত্রে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু দুর্বল হয়ে পড়েছিল। যার ফলে বৃষ্টিপাত কম হয়েছে এবং কৃষিক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

Leave a Comment