সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ইজরায়েলের (Israel) ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের নাম সবার প্রথমে উঠে আসে। কিন্তু এবার সেই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করে ফেললেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu)। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইজরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হলেও বিশ্বের আরও বেশ কয়েকটি দেশ তাদের পাশে রয়েছে। এমনকি সেই তালিকায় বিশেষ করে ভারতের নাম উল্লেখ করেছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ভারতের ভূমিকা তুলেছেন নেতানিয়াহু
এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহুর কাছে জানতে চাওয়া হয় যে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সেই মন্তব্য নিয়ে তাঁর মতামত কী, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রকে ইজরায়েলের সবথেকে ঘনিষ্ঠ এবং প্রধান মিত্র বলা হয়েছিল। উত্তরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইজরায়েলের সম্পর্ক অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ঐতিহাসিক। তবে এর অর্থ এই নয় যে ইজরায়েলের আর কোনও আন্তর্জাতিক বন্ধু নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইজরায়েলের পাশে রয়েছে। এমনকি ভারতের মতো একটি বড় দেশ থেকেও সমর্থন মিলেছে।
নেতানিয়াহু ভারতের প্রসঙ্গ টেন এনে বলেন, ১৪০ কোটির বেশি জনসংখ্যার দেশ ভারত ইজরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু। তাঁর দাবি, ভারত থেকে তিনি নিয়মিত ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া আর সমর্থনের বার্তা পান। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বহু ভারতীয় নাগরিক ইজরায়েলের সমর্থন জানিয়ে বার্তা পাঠান বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। তার কথায়, সাধারণ মানুষের এই সমর্থন দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে।
#BREAKING: Prime Minister of Israel Netanyahu reacting to recent comments of US Vice President JD Vance says he gets a lot of support from 1.4 billion people of India. Vance had earlier claimed that the U.S. is the last country that still supports Israel. @netanyahu @IsraeliPM pic.twitter.com/O7tJPa1iJI
— Aditya Raj Kaul (@AdityaRajKaul) July 5, 2026
আরও পড়ুন: জেরায় পড়েছেন ভেঙে, করছেন না খাওয়া-দেওয়া! দেবরাজের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ
এমনকি সাক্ষাৎকারের নেতানিয়াহু জানান যে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। কিন্তু ভালো সম্পর্ক মানেই যে প্রতিটি বিষয়ে মতের মিল থাকবে এরকমটা নয়। তাঁর দাবি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে ইজরাইলের প্রতি সমর্থনের বার্তা দেন। কিন্তু অনেক সময় নিজেদের দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে প্রকাশ্যে সবসময় অবস্থান জানাতে পারেন না। এমনকি তাঁর মতে, প্রতিরক্ষা থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নিরাপত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহু দেশ ইজরায়েলের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী।