=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

‘কর্মফল পেয়েছে, দেহ আনব না’, জানালেন বারুইপুর এনকাউন্টারে মৃত প্রভাস মণ্ডলের মা

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে গিয়ে ছিনিয়ে নিয়েছিল পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র! শেষে পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হল বারুইপুর গণধর্ষণ ঘটনায় (Baruipur Case) ধৃত অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের (Prabhas Mondal)। জানা গিয়েছে মঙ্গলবার রাতে পুলিশের পাল্টা গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পরে মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। এদিকে ছেলের মৃত্যুর খবর পুলিশের কাছ থেকে পেয়েছেন মৃত অভিযুক্তের মা। কিন্তু ছেলের মৃত্যুতে দুঃখিত নন তিনি। বরং স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ছেলের মৃতদেহ আনতে হাসপাতালে যাবেন না তিনি।

এনকাউন্টারে মৃত অভিযুক্ত প্রভাস

বারুইপুর কাণ্ডে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনে গ্রেফতার করা হয়েছিল অন্যতম এক অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে। মঙ্গলবার রাত ১২টা ৪৫ নাগাদ অভিযুক্তকে ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় নিয়ে যাওয়া হলে পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়েছিল। সূত্রের দাবি, পুলিশকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলিও ছোড়েন প্রভাস। সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের সুরক্ষার্থে পাল্টা পুলিশ গুলি চালালে মৃত্যু হয় তার। আর এই খবর মৃত অভিযুক্তের মাকে জানাতেই তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “ছেলের মৃত্যুতে দুঃখিত নই, এমনকি ছেলের মৃতদেহ আনতেও হাসপাতালে যাব না।” আর এই সাক্ষাৎকার প্রকাশ্যে আসতেই অভিযুক্ত মায়ের সিদ্ধান্তকে কুর্নিশ জানালেন স্থানীয়রা।

কী বলছেন এনকাউন্টারে মৃত অভিযুক্তের মা?

বারুইপুরে ১১ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনে প্রভাস মণ্ডল গ্রেফতার হওয়ার পরই অভিযুক্তের মা জানিয়েছিলেন, “ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিন বা কেটে ফেলুন। ওকে সেই শাস্তি দেওয়া হোক, যেটা ওর প্রাপ্য। ওর মা হিসেবে আমি এটা বলছি। আমি নিজেই ওকে পুলিশের হাতে তুলে দিতাম। ছেলের চরমতর শাস্তি হোক।” সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, ছেলে মদের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকত। মদ খেয়ে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ার জন্য অতীতে গ্রেফতারও হয়েছিল। আর এবার ধর্ষণ কাণ্ডে এনকাউন্টারে মৃত্যু হওয়ায় একটুও শোকপ্রকাশ করলেন না অভিযুক্তের মা। তিনি বলেন, “পুলিশ এসে বলে গেল, মারা গিয়েছে। কীভাবে মারা গিয়েছে বলেনি। পুলিশ শুধু বলে গেল, মৃতদেহ বারুইপুর হাসপাতালে রয়েছে। দেখবেন যদি চলুন।”

আরও পড়ুন: উস্কানি থেকে ভুয়ো প্রচারের অভিযোগ! সুজন চক্রবর্তী, লাহেক আলি সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে FIR

ক্ষুব্ধ প্রভাসের মা স্পষ্ট বলেন, “ ছেলে কৃতকর্মের শাস্তি পেয়েছে। যেমন কাজ , তেমন পরিণাম। আমার কোনও আর আপত্তি নেই, কষ্ট নেই, আর দুঃখ নেই। ও যেরকম একটা মেয়েকে কষ্ট দিয়ে মেরেছে, ও তো সেই মরেছে। আমরা ওর মৃতদেহ আনব না। আমি ও দেখতে পারব না। আমি ওর আর কিছু করব না। ও যাক।” উল্লেখ্য, রবিবার সকালে একটি পুকুর থেকে ওই কিশোরীর বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়েছিল। অভিযোগ তাঁকে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। এরপর দোষীদের গ্রেফতারি এবং কঠোর শাস্তির দাবি তোলেন এলাকাবাসী। তখনই আটক হয়েছিলেন প্রভাস। পরে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। ধর্ষণ-খুনের মামলায় সেটাই ছিল প্রথম গ্রেফতারি।

Leave a Comment