এই মহিলাদের ফেরত দিতে হবে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা! বড় তথ্য দিলেন অগ্নিমিত্রা

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: গত ১ জুলাই থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) তিন হাজার টাকা অনেক উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করেছে। কিন্তু এসবের মাঝেই অনেকের ফর্ম রিজেকটেড হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এমন অনেক উপভোক্তা আছেন যাঁরা এই সরকারি ভাতার (Government Scheme) উপযুক্ত না হয়েও পাচ্ছেন সুবিধা। এমতাবস্থায় অন্নপূর্ণার টাকা নিয়ে এবার বড় আপডেট প্রকাশ্যে এল।

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় আপডেট

রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসতে না আসরে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মহিলাদের জন্য নিয়ে এসেছে অন্নপূর্ণা যোজনা। তৃণমূল আমলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে যেখানে সাধারণ মহিলাদের জন্য বরাদ্দ ছিল মাসে দেড় হাজার টাকা। সেই টাকায় এবার বিজেপির আমলে হল আরও দ্বিগুণ। তবে এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য অনেকেই তথ্য গোপন করে বা ভুল তথ্য দিচ্ছে। এদিকে বাকিরা সঠিক তথ্য দিয়েও পাচ্ছে না টাকা। তবে এবার সেই সমস্যা নির্মূল করতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে প্রশাসন। জানা গিয়েছে, তথ্য গোপন করে যদি কেউ ভাতা পেয়ে থাকে তাহলে তাঁর আবেদন পুনরায় খতিয়ে দেখা হতে পারে। আর সেক্ষেত্রে অযোগ্য প্রমাণিত হলে টাকা ফেরত দিতে হবে সংশ্লিষ্ট উপভোক্তাকে।

কী বলছেন অগ্নিমিত্রা পাল?

পুর ও নারী-শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, “অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা বণ্টনের আগে ও পরে তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এই প্রকল্পের সুবিধা শুধু যোগ্য আবেদনকারীদের পাঠানো হবে। সেক্ষেত্রে নথিতে যদি অসঙ্গতি থাকে তাহলে কিছু নাম বাদ পড়বে।” জানা গিয়েছে যাচাই করার জন্য অনেক জায়গায় বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন কর্মীরা। যাঁদের আবেদন আগে বাতিল হয়েছিল বা নথিতে সমস্যা ধরা পড়েছিল, তাঁদের তথ্য নতুন করে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। এর জন্য আবেদনকারীর দেওয়া তথ্য ভোটার তালিকা-সহ সরকারি নথির সঙ্গে মেলানো হতে পারে।

আরও পড়ুন: ISKCON-র কাছে যায়নি কোনও প্রস্তাব? স্কুলে মিড ডে মিল নিয়ে নয়া তথ্য

প্রসঙ্গত অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে, সরকারি অর্থ কোনও অভারতীয় ব্যক্তি পেতে পারেন না। আর সেই কারণেই উপভোক্তাদের পরিচয়, নাগরিকত্ব এবং ভোটার তালিকায় নামের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়েছে। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে যে যাচাইয়ের সময় যাঁদের ক্ষেত্রে অসঙ্গতি ধরা পড়বে, তাঁদের নাম বাদ যাবে। এরপরেও যদি এই প্রকল্প নিয়ে কোনো রকম প্রশ্ন থাকে তাহলে স্থানীয় ব্লক অফিস, পুরসভা বা সরকারি সহায়তা কেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Leave a Comment