এবার শিক্ষকদের স্মার্টফোন দেবে সরকার? উঠল দাবি

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: SIR প্রক্রিয়ার পর এবার রাজ্যে জনগণনার (Census) কাজে অংশ নিতে হবে শিক্ষকদের! আগেই এই মর্মে জেলা স্কুল পরিদর্শকের অফিসে পাঠানো হয়েছিল চিঠি। চিঠি পাঠিয়েছিল কলকাতা পুরনিগম। শুধু তাই নয়, ওই চিঠিতে বলা হয়েছিল শিক্ষকদের জনগণনার কাজে যুক্ত করতে হবে। যদি কেউ এই সরকারি (Government Of West Bengal) কাজে অনীহা প্রকাশ করে তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবার সেই মতোই, জনগণনার জন্য স্মার্টফোন দেওয়ার দাবি উঠল বাঁকুড়ায়। সেই দাবিতে ইতিমধ্যেই বাঁকুড়ার জেলাশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে চিঠি।

শিক্ষকদের স্মার্টফোন দেবে সরকার?

বাঁকুড়ার জেলা শাসকের কাছে জনগণনার জন্য যে চিঠি দেওয়া হয়েছে তাতে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, সেন্সাস বা জনগণনার জন্য প্রয়োজন সেন্সাস অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনগণনার কাজ করতে পারবেন জনগণনা কর্মী বা শিক্ষকরা! তবে সমস্যা একটাই। এই অ্যাপ শুধুমাত্র Android 12 সমর্থিত স্মার্টফোনেই ইন্সটল করা যায়। এদিকে যাঁরা জনগণনার কাজ করবেন সেই সমস্ত শিক্ষকের কাছে Android 12 এর স্মার্টফোন নেই। ফলে, এই কাজের জন্য আলাদাভাবে তাঁদের এই অত্যাধুনিক স্মার্টফোন কিনতে হবে। যা তাঁদের প্রত্যেকের পক্ষে সম্ভব নয়!

ওই চিঠিতে একেবারে পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে, বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে Android 12 সমর্থিত একটি ভাল স্মার্টফোনের দাম 20 হাজার টাকার বেশি। যা শুধুমাত্র জনগণনার কাজের জন্য কেনাটা কর্মীদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই দয়া করে যাতে জনগণনার কাজে যুক্তকর্মীদের Android 12 সমর্থিত স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট দেওয়া যায় সেই ব্যবস্থা করা হোক। চিঠিতে এও লেখা হয়েছে, আমরা আশা করি কর্মীদের স্মার্টফোন দেওয়ার দাবি মানা হবে।

অবশ্যই পড়ুন: এবার প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ছেলে তীর্থঙ্করকে পানিহাটির রাস্তায় ঘোরালো পুলিশ

বাঁকুড়ার জেলাশাসককে লেখা ওই চিঠিতে জনগণনা কর্মী বা শিক্ষকদের স্মার্টফোন দেওয়ার দাবি উঠতেই অনেকেই বলছেন, এবার হয়তো রাজ্য সরকারের তরফে জনগণনার কাজ চালিয়ে নিয়ে যেতে নির্দিষ্ট শিক্ষকদের Android 12 সমর্থিত স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট দেওয়া হবে! যদিও এ নিয়ে সরকারের তরফে কোনও রকম বিবৃতি আসেনি।

আরও পড়ুনঃ রাজনীতি ভুলে এবার বিগ বস বাংলায় সায়ন্তিকা? জোর জল্পনা টলিপাড়ায়

তবে অনেকেই মনে করছেন, জনগণনার কাজের জন্য প্রয়োজনীয় স্মার্টফোন সরকারের তরফে না দেওয়া হলে গণনার কাজে যাবেন না কর্মীরা! এদিকে, কলকাতা পুরনিগমের তরফে জনগণনা নিয়ে সাম্প্রতিক একটি চিঠিতে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, জনগণনার কাজে অনীহা প্রকাশ করলে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। শোনা যাচ্ছে, সরকারি কাজে যোগ দিতে না চাইলে তিন বছর পর্যন্ত জেলও হতে পারে কর্মীদের!

Leave a Comment