২৬ বছর বয়সেই সাফল্য, AI প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে একদিনে ৭৭ কোটি আয় ভারতীয় যুবকের

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মাত্র ২৬ বছর বয়সে এরকম সাফল্য যা প্রযুক্তি জগতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। আইআইটি কানপুরের প্রাক্তন ছাত্র সিদ্ধার্থ সাক্সেনা দাবি করছেন যে, তিনি নাকি এআই ভিত্তিক স্টার্টআপের মাধ্যমে মাত্র একদিনেই ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় ৭৭ কোটি টাকা ইনকাম করেছেন। তাঁর এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা (Success Story)।

কে এই সিদ্ধার্থ সাক্সেনা?

সিদ্ধার্থ সাক্সেনা আইআইটি কানপুর থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে বিটেক সম্পন্ন করেছেন। পড়াশোনা শেষ করে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মেশিন লার্নিং নিয়ে বিভিন্ন প্রযুক্তি সংস্থায় কাজ করেন। পরে নিজস্ব উদ্যোগে এআই ভিত্তিক স্টার্টআপ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন।

তবে সিদ্ধার্থ তাঁর দুই সহপাঠী প্রত্যুষা রায় এবং শীর্ষেন্দু সরকারের সঙ্গে ২০০২ সালে Merlin AI নামে একটি স্টার্টআপ শুরু করেন। Merlin AI মূলত একটি গুগল ক্রোম এক্সটেনশন, যা ব্যবহারকারীদেরকে বিভিন্ন এআই ভিত্তিক কাজ সহজ করে দেয়। যেমন ইমেইল লেখা, ওয়েবপেজের সারাংশ তৈরি করা, কন্টেন্ট তৈরি করা, তথ্য বিশ্লেষণ করা, অনলাইন রিসার্চে সহযোগিতা করা। আর সবথেকে বড় কথা, আলাদা করে অন্য কোনও এআই ওয়েবসাইট ছাড়া এটি লাগিয়ে ব্রাউজারের মাধ্যমে পরিষেবাগুলি সহজেই অ্যাক্সেস করা যায়।

তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সিদ্ধার্থ জানিয়েছেন, তাঁর জীবনের সর্বোচ্চ একদিনের আয় ছিল ৮ মিলিয়ন ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৭৭ কোটি টাকা। কিন্তু তিনি এই বিপুল অর্থ কোনও নির্দিষ্ট চুক্তি, বিনিয়োগ নাকি অন্য কোনও ব্যবসায়িক লেনদেনের মাধ্যমে পেয়েছিলেন সে বিষয়ে কিছু বিস্তারিত তথ্য সামনে আনেননি। যার ফলে তাঁর এই দাবি নিয়ে কৌতুহল আরও বেড়েছে। তবে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই Merlin AI দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বর্তমানে সংস্থাটির আনুমানিক বাজার মূল্য ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ছুঁয়েছে।

আওর পড়ুন: শহিদ পরিবারদের মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ঋতব্রতর তৃণমূলের

এমনকি সাক্ষাৎকারে সিদ্ধার্থ বলেন যে, ভারতে অনেক তরুণ সীমিত সুযোগ সুবিধার মধ্যে বড় হওয়ার ঝুঁকি নিতে চান না। তাঁর মতে, বড় কিছু করতে হলে প্রচলিত চিন্তার বাইরে বেরিয়ে আসতে হবে আর বড় লক্ষ্যমাত্রা নিয়েই এগোতে হবে। এমনকি তিনি আরও দাবি করেন, আইআইটি কানপুরে কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগে ভর্তি হওয়া হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি হওয়ার থাকে বহুগুণ কঠিন।

Leave a Comment