=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ছোটবেলায় হারান বাবাকে, চরম অভাবেও দেশের জন্য রূপো জিতলেন হাওড়ার মেয়ে

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বাংলার মেয়ের ইতিহাস তৈরির সাক্ষী থাকল হাওড়া (Howrah)। নাম তিতলি মাজি (Titli Maji)। একেবারে ছোট থেকেই অভাব যেন আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলেছিল তিতলিদের। বাবা চলে যাওয়ার পরই দারিদ্রতা কী, সেটা যেন আরও ভালভাবে বুঝতে পেরেছিলেন তিতলি। তবে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখেও থেমে যায়নি মা ও মেয়ে। চরম অভাবের মধ্যেও নিজের মায়ের মুখের দিকে চেয়ে লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন তিতলি। সেই মেয়েই এবার উজবেকিস্তানের তাসখন্ডে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ইয়ুথ অ্যান্ড জুনিয়র ওয়েটলিফটিং চ্যাম্পিয়নশিপে 45 কেজির বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে রূপো জিতলেন।

তিতলির সাফল্যে উচ্ছ্বসিত পরিচিতরা

হাওড়ার নবম শ্রেণীর ছাত্রী তিতলির আন্তর্জাতিক মঞ্চে এত বড় সাফল্য জানতে পেরে উচ্ছ্বসিত তাঁর পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে আত্মীয়-স্বজনরা। ছাত্রীর সাফল্যে আনন্দিত স্কুলের শিক্ষকরাও। এ প্রসঙ্গে তিতলির স্কুলের শিক্ষক কৌশিক চ্যাটার্জী জানিয়েছেন, “ছোটবেলা থেকেই তিতলির কিছু করে দেখানোর খিদে আছে। লড়াই করার মানসিকতা আছে। প্রত্যেকটা প্রতিযোগিতায় নিজেকে উজাড় করে দেয় ও। আন্তর্জাতিক মঞ্চে ও পদক জিতেছে এতে খুব গর্বিত হচ্ছি। ওকে কুর্নিশ জানাই।”

মাত্র এক বছর বয়সে যখন তিতলির বাবা চলে যায়, মাথায় কার্যত আকাশ ভেঙে পড়েছিল দুই মেয়ের মায়ের। কীভাবে দুই সন্তানকে নিয়ে সংসার চালাবেন সেটাই বুঝে উঠতে পারছিলেন না তিনি। সেই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেন মিড ডে মিল প্রকল্পের অধীনে রান্নার কাজ করবেন তিনি। তাতে যা রোজগার হতো তা দিয়ে কোনও মতে পেট চলত তিনজনের পরিবারের। এমনও দিন গেছে দুবেলা দুমুঠো খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হয়েছে তিতলির মাকে। এহেন পরিবারে খেলাধুলা করে সাফল্য যেন ভাবাই যায় না!

অবশ্যই পড়ুন: বোম মেরে মেসিকে উড়িয়ে দেওয়ার ছক, নিশানায় ছিলেন রোনাল্ডোও! ফাঁস হল সব

ছোট থেকে অদম্য লড়াই দেখেছিলেন মায়ের মধ্যে। সেই বৈশিষ্ট্য থেকেই নিজেকেও প্রতিষ্ঠিত করার খিদে ছিল তিতলির। সেই খিদে থেকেই ওয়েটলিফটিংকে বেছে নেন হাওড়ার মেয়ে। প্রথমবারের মতো হাতেখড়ি হয়েছিল দেউলপুরের বজরংবলী ব্যায়াম সমিতিতে। এরপর থেকে ক্লাবস্তরে খেলতে খেলতেই রাজ্য স্তর এবং সেখান থেকে ন্যাশনাল লেভেলে পৌঁছে যান তিতলি। নিজের দলের হয়ে একাধিক মেডেলও জিতেছেন তিনি। তবে একটা সময় অভাবের সংসারে খেলাধুলা বিলাসিতা, এমন কটুক্তিও শুনতে হয়েছিল তাঁকে। তবে সে সব পাশ কাটিয়েই আন্তর্জাতিক মঞ্চে ওয়েট লিফটিং চ্যাম্পিয়নশিপে 45 কেজির বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে সকলকে চমকে দিলেন তিতলি। মুখ উজ্জ্বল করলেন বাংলা তথা গোটা দেশের। নিজের মেয়ে যে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পদক পাবে সেটা যেন স্বপ্নেও কল্পনা করেননি তিতলির মা আলপনা মাজি।

Leave a Comment