=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

দ্বাদশ ফেল, বিক্রি করেন সবজি! UPSC পাস করে আজ IAS নারায়ণ

অনন্যা সরকার, আসাম: জীবন যখন প্রতি পদে মানুষকে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড় করায়, তখন মনোবল ও ইচ্ছা শক্তিই হয়ে ওঠে তার একমাত্র পাথেয়। নারায়ণ কোনওয়ারের গল্পটি (UPSC Success Story of Narayan Konwar) ঠিক এমনই এক অদম্য মানসিকতার কথা বলে, যেখানে কষ্ট, যন্ত্রণা তাঁকে দমাতে পারেনি, উল্টে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি জুগিয়েছে। অল্প বয়সে বাবাকে হারানোর চরম মানসিক আঘাতের পরেও নিজেকে সামলে নেন। সংসারের দায়িত্ব ভার বহন করার জন্য তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি একসময় সবজি বিক্রি করতেন। দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পরেও হার মানেননি। নানা প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি নিজের স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখেন এবং অবশেষে একদিন তিনি আইএএস (IAS) অফিসার হয়ে প্রমাণ করে দেন, পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন দৃঢ় সংকল্পই ভাগ্য গড়ে দিতে পারে। আজ তিনি দেশের বহু ছেলেমেয়েদের কাছে প্রেরণা হয়ে উঠেছেন। আসুন তাহলে তার এই সাফল্যের কাহিনীটি বিশদে জেনে নেওয়া যাক। 

অল্প বয়সেই সংসারের দায়িত্ব সামলে আইএএস অফিসার

মধ্য আসামের মরিগাঁও জেলর বাসিন্দা নারায়ণ কোনওয়ার এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, মাত্র ১১ – ১২ বছর বয়সে তিনি তাঁর বাবাকে হারান। ওই বয়সে বাবাকে হারানো যেকোনো শিশুর কাছেই বেদনাদায়ক, তিনিও এর ব্যতিক্রম ছিলেন না। হঠাৎ করেই পরিবারের সমস্ত দায়িত্ব অল্প বয়সেই তাঁর কাঁধে চাপে। কিন্তু মায়ের সমর্থন সবসময় পেয়েছেন এবং এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন।

আরও পড়ুন: ISRO-র পরীক্ষায় পাস, এরপর ২১ বছর বয়সে UPSC ক্র্যাক করে আজ IAS সুরভি

সংসার ও পড়াশোনার দায়িত্ব একসাথে সামলানো সহজ ছিল না নারায়নের কাছে। রোজ স্কুলের জন্য ১৫ কিলোমিটার যাতায়াত করতে হত, তার সাথে জীবিকা নির্বাহ করে যাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। কঠোর পরিশ্রম করা সত্ত্বেও পড়াশোনা থেকে মনোযোগ সরে যায় তাঁর। এর প্রভাব পড়ে দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফলে। পাস করতে পারেননি। এই ব্যর্থতা তার কাছে বিরাট বড় আঘাত হয়ে আসে। মনোবল একেবারে ভেঙে দিয়েছিল, উপরি পাওনা ছিল চারপাশের মানুষের উপহাস। তবে ব্যর্থতা সত্ত্বেও নারায়ণ হাল ছাড়েননি, আবার ঘুরে দাঁড়ানোর সংকল্প করেন। সফল তাঁকে হতেই হবে এই জেদ নিয়ে কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যান।  আবার দ্বাদশের পরীক্ষা দেন এবং ফার্স্ট ক্লাস পেয়ে পাশ করেন। 

জীবনের নানা প্রতিকূলতার মাঝে নারায়ণ নানাবিধ ছোটখাটো কাজ করে পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। সংসার চালানোর জন্য তিনি সবজি বিক্রি করতেন, তার পাশপাশি চলছিল পড়াশোনাও। গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা শেষ করে, নারায়ণ সমাজের জন্য কিছু করার স্বপ্ন দেখেন এবং সিভিল সার্ভিসের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন। 

আরও পড়ুন: কাস্ট সার্টিফিকেট যাচাই নিয়ে বড় রায় হাইকোর্টের, সরকারকে দেওয়া হল কড়া নির্দেশ

অধ্যাবসায়, নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের ফলও পান হাতেনাতে। নারায়ণ কোনওয়ার ২০১০ সালে ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষায় ১১৯তম র‍্যাঙ্ক অর্জন করে একজন আইএএস অফিসার হন। তাঁর এই সাফল্যের কাহিনী এখন বহু ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। বর্তমানে নারায়ন কোনওয়ার আসামের উচ্চশিক্ষা ও স্কুল শিক্ষা বিভাগের সচিব হিসেবে কর্মরত।

Leave a Comment