=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

“আমি লড়াই করব, দরকার পড়লে জেলে যাব” বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যে পালাবদল (Government Of West Bengal) না হলে কী হতে পারতো, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা মত প্রকাশ করেছেন ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা-বিধায়করা। তৃণমূলের অপশাসনকে স্মরণ করে বেনজির সব মন্তব্য শোনা গিয়েছে অন্যান্য বিরোধী দলগুলির নেতাদের গলাতেও। তবে এবার মুখ খুললেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার ন্যাশনাল লাইব্রেরীর এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি একেবারে খোলাখুলি জানালেন, রাজ্যে পালাবদল না হলে মা-বাবাকে ওড়িশায় পাঠিয়ে দেবো ভেবেছিলাম। লড়াই করব, দরকার পড়লে জেলে যাব।

কেন এমন মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী?

রামমন্দির নিয়ে আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে প্রাণ গিয়েছিল দুই ভাইয়ের। তাঁদেরকেই অযোধ্যার প্রথম শহীদ হিসেবে স্মরণ করে এদিন কোঠারি ভাইদের স্মরণ সংঘ পরিবারের তরফে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আর সেখানে গিয়েই একেবারে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করলেন তিনি। পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, “বাংলার মানুষ এ বাংলাকে বাঁচিয়ে দিয়েছে। সেটা না হলে যে আমাদের কী অবস্থা হতো ভাবা যাবে না। আমার বাবার বয়স এই মুহূর্তে 89 বছর। মায়ের বয়স 80 পেরিয়েছে। আমি তো ঠিক করে ফেলেছিলাম, আমি লড়াই করব, দরকার পড়লে জেলে যাব! কিন্তু বাবা মাকে ওড়িশায় পাঠিয়ে দেব।”

এদিন অতীতে রাজ্যের অবস্থা স্মরণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যের যা পরিস্থিতি হয়েছিল সেটা ঠিক করতে আমরা অল্প সময়ের মধ্যে কিছু কাজ করতে পেরেছি। এখনও অনেক কাজ বাকি। বাংলার সংস্কৃতি বজায় রাখতে হবে। এই সংস্কৃতি নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।” শনিবার, বক্তব্য রাখতে গিয়েই মুখ্যমন্ত্রী সকলকে মনে করিয়ে দিলেন, দুর্গাপুজো নিয়ে রাজ্যের নানান পরিকল্পনা রয়েছে। একই সাথে পিতৃপক্ষে প্রতিমার উদ্বোধন হবে না। আবার দশমীর দিন পবিত্রতা মেনে হবে প্রতিমা নিরঞ্জন।

 

আরও পড়ুন: ছাগল বিক্রি করে জুতো কিনে দেন বাবা, সেই সীমাই এশিয়াডে ভারতের হয়ে জিতলেন পদক

বলাই বাহুল্য, কিছুদিন আগেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন রাজ্যে পুজোর সময় কোনও রকম বিশৃংখল পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয় সেদিকে কড়া নজর রাখছে সরকার। বিশেষ করে অষ্টমীর দিন যাতে সবাই সুষ্ঠুভাবে অঞ্জলি দেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের সাথে উৎসব উদযাপন করতে পারে সেজন্য এদিন বন্ধ থাকবে মদের দোকান। শনিবার বক্তব্য রাখতে গিয়ে সে কথাটাও আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন তিনি।

Leave a Comment