=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

“গোয়ালঘর দেখিয়ে পাকা বাড়ি নিলেই…” আবাস যোজনা নিয়ে বিস্ফোরক মুখ্যমন্ত্রী

অনন্যা সরকার, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে পালাবদলের পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই ঘোষণা করেছিলেন যে, প্রশাসন দুর্নীতির বিষয়ে ‘জিরো-টলারেন্স নীতি’ মেনে চলবে এবং এই অবস্থানের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই তিনি বহু ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও গ্রহণ করেছেন। এবার তৃণমূল আমলের ‘আবাস যোজনা’ (Pradhan Mantri Awas Yojana)-এর দুর্নীতি নিয়ে মুখ খুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন যে, আগের সরকারের আমলে আবাস যোজনায় ব্যাপক দুর্নীতি হয় এবং প্রচুর অর্থ আত্মসাৎ করা হয়।  এর সাথেই তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, এই দুর্নীতির সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের খুঁজে বের করা হবে এবং সমস্ত অর্থ উদ্ধার করা হবে।

গোয়ালঘর দেখিয়ে আবাসের টাকা নেওয়ার অভিযোগ

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের অধীনে বাড়ি বরাদ্দ এবং দুর্নীতির বিষয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও, যারা অস্থায়ী গোয়ালঘর বা রান্নাঘরকে বাসস্থান হিসেবে দেখিয়ে একাধিক সরকারি আবাসন বা প্রকল্পের টাকা দাবি করেছেন, তাদের থেকে সমস্ত টাকা আদায় করা হবে এবং তাদের কারাদণ্ডও হতে পারে।

সম্প্রতি এ বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে আবাস যোজনা সংক্রান্ত বিষয়ে উল্লেখযোগ্য দুর্নীতি ও তহবিল তছরুপ হয়। অযোগ্য ব্যক্তিরা মাটির দেয়ালের কাঠামো বা অস্থায়ী গোয়ালঘরকে মিথ্যাভাবে নিজেদের বাড়ি বলে দেখিয়ে চার – পাঁচটা বাড়ির জন্য বরাদ্দ অর্থ বাগিয়ে নিয়েছে।

আরও পড়ুন: মমতার অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষ পাঠিয়েছিলেন ইন্দ্রনীল সেন! বিস্ফোরক দাবি ইডির

মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন যে, দুর্নীতির সমস্ত ঘটনা যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। যারা মিথ্যা তথ্যের মাধ্যমে সরকারি আবাসন পেয়েছেন, রাজ্য সরকার তাদের কাছ থেকে সেই তহবিলের টাকা আদায় করবে এবং আইন অনুযায়ী তাদের শাস্তি ভোগ করতে হবে।

মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে, নতুন নিয়ম অনুসারে নির্দেশিকা মেনে কোনও রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য ছাড়াই শুধুমাত্র প্রকৃত সুবিধাভোগীদেরই বাড়ি বরাদ্দ করা হবে। এছাড়াও, তিনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মাটির বাড়িতে থাকা পরিবারগুলিকে বাড়ি নির্মাণের জন্য ১.৮০ লক্ষ টাকা দেওয়ার একটি পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেছেন। আবাস যোজনার অধীনে সমীক্ষার প্রক্রিয়া এবং অর্থ বিতরণের ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই সরকারের এই কড়া পদক্ষেপ। 

Leave a Comment