=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

জানেন কেন দাহের আগে মৃতদেহ বেঁধে রাখা হয়?

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: শাস্ত্রে মৃতদেহ (Dead Body) দাহ সংস্কার নিয়ে একাধিক নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে। আর সেই নিয়ম যদি সঠিকভাবে পালন করা হয় তাহলে আত্মা শান্তি লাভ করে। কিন্তু ভালো করে খেয়াল করলে দেখবেন মৃত্যুর পর সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের অন্ত্যেষ্টি করা হয় না এমনকি মৃতদেহ অন্ত্যেষ্টি না হওয়া পর্যন্ত দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। কিন্তু কেন এমন নিয়ম, অনেকেই জানেন না (Unknown Facts)। তবে এ বিষয়ে শাস্ত্রে একাধিক কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। চলুন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।

কেন বেঁধে রাখা হয় দেহ?

মৃতদেহ দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা নিয়ে অনেকের ধারণা যেহেতু মৃত্যুর পর ওই শরীরের পেশীগুলো জীবিত ব্যক্তির মতো আর সক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তাই, মৃতদেহ স্থির করে রাখার জন্য দড়ি দিয়ে শবযানের সাথে শক্ত করে বেঁধে রাখা হয়। একে বলা হয় রিগর মর্টিস। কিন্তু শাস্ত্র অনুযায়ী এর পিছনে রয়েছে অন্য রহস্যময় কারণ। হিন্দুধর্মে, দেহকে নশ্বর বলে মনে করা হয়, এই সময় যাতে কোনো বিদেহী আত্মা পুনরায় সেই জড় শরীরের প্রতি কোনো মায়ার কারণে আটকে না থেকে সহজে মুক্তি লাভ করে, সেজন্য এই নিয়ম মানা হয়।

মৃতদেহ একা ছাড়া যায় না

অনেকে আবার মৃতদেহ একা রাখে না। বলা হয় সূর্যাস্তের পর কখনও অন্ত্যেষ্টি করা যায় না। সূর্যাস্তের পর কোনও ব্যক্তির যদি মৃত্যু হয় তাহলে তার মৃতদেহ বাড়িতেই থাকে। তখন মৃতদেহের পাশে কেউ না-কেউ উপস্থিত থাকে। সেক্ষেত্রে গরুড় পুরাণ অনুযায়ী মৃতদেহ একা ফেলে রাখলে তা থেকে গন্ধ বেরোতে শুরু করবে। আবার মৃতদেহ একা পড়ে থাকলে পিঁপড়ে ঘিরে ধরতে পারে। পুরাণে এও বলা হয়েছে যে মৃতদেহ একা ছাড়লে তাতে অশুভ আত্মা প্রবেশ করতে পারে। এ কারণে অন্ত্যেষ্টি হওয়া পর্যন্ত মৃতদেহ একা ছাড়া হয় না।

আরও পড়ুন: ভুলেও এদের খাওয়াবেন না শ্রাদ্ধের খাবার, নইলে ঘটবে ভয়ঙ্কর বিপদ

এছাড়াও কোনও ব্যক্তির মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সৎকার করা হয় না। এর পিছনেও একটি কারণ রয়েছে। শাস্ত্র মতে, যতক্ষণ মৃত ব্যক্তির শরীর সম্পূর্ণ শান্ত হচ্ছে, ততক্ষণ দাহ সংস্কার করা যায় না। এ ছাড়াও শেষ দেখা দেখার জন্য সেই মৃত ব্যক্তির আত্মীয় স্বজনের অপেক্ষা করা হয়। এই দুটি কারণে মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে দাহ সংস্কার করা নিষিদ্ধ। অন্যদিকে পঞ্চক যোগে মৃত্যু হল অত্যন্ত অশুভ যোগ। বলা হয়, এই সময়কালে কারও মৃত্যু হলে নাকি সেই ব্যক্তির পরিবারে দুঃখের ছায়া পড়ে। তবে সেই নিয়ে এখনও তর্ক বিতর্ক রয়েছে।

Leave a Comment