=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

‘ঘুমাবেন না, আপনাকে দরকার!’ পাইলট স্মিত মাচ্ছারকে বাঁচানোর কাহিনী শোনালেন দন্তচিকিৎসক

অনন্যা সরকার, কলকাতা: ককপিটের ভিতরে তখন চলছে এক ভয়ংকর অসম লড়াই। সহ-পাইলটের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সারা শরীর থেকে ঝরছে রক্ত! সেই অবস্থাতেই নিজের সবটুকু শক্তি লাগিয়ে ককপিটের দরজাটা খুলে ফেলেন ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার (Captain Smit Machchhar)। খুলতেই চোখের সামনে রক্তাক্ত ভারতীয় পাইলটকে দেখে স্তম্ভিত হয়ে যান সামনের আসনের যাত্রী ও কেবিন ক্রু-রা। মাথা ও বাঁহাতে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে, অঝোরে ঝরছে রক্ত। আশেপাশে কোনো চিকিৎসার সরঞ্জাম নেই। সেই মুহূর্তে এগিয়ে এলেন ইসরায়েলে বসবাসকারী জর্জিয়ান দন্তচিকিৎসক শোতা মুসায়েভ। তিনি সেদিনের ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইটে ক্যাপ্টেন স্মিতকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াইয়ের কাহিনী শুনিয়েছেন সংবাদমাধ্যমকে। 

কীভাবে স্মিত মাচ্ছারের প্রাণ রক্ষা করলেন দন্তচিকিৎসক

ফ্লাইদুবাই ফ্লাইট FZ1073-এ হামলার পর আহত পাইলটকে বাঁচাতে শোতা মুসায়েভ টি-শার্ট আর বরফ দিয়ে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে জান প্রাণ দিয়ে লড়াই চালিয়ে যান। ক্ষতস্থানে টি-শার্ট চেপে ধরলেও রক্ত থামছিল না, বরফের প্যাক দিয়ে ঠান্ডা করার পাশাপাশি ক্ষতস্থান চেপে ধরে রাখেন তিনি। অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণের ফলে পাইলট ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছিলেন। মুসায়েভ বারবার বলছিলেন, “ঘুমাবেন না; আপনাকে আমাদের প্রয়োজন।” স্মিতও কেঁদে ফেলে বলেন “আমি মরতে চাই না।” ডাক্তার তাকে আশ্বস্ত করে বলেন, তিনি নিশ্চয় তাঁর পরিবারের কাছে ফিরে যেতে পারবেন। 

একটা সময় পাইলটের নাড়ির স্পন্দন বিপজ্জনক মাত্রায় নেমে আসে, ঠোঁট নীল হয়ে যায়। মুসায়েভ তার পা দুটি উঁচু করে ধরেন, নাড়ি ফিরে এলেও পরিস্থিতি কিছুক্ষণের মধ্যেই খারাপ হতে শুরু করে। তিনি কেবিন ক্রুদের অবিলম্বে বিমান অবতরণ করার জন্য নির্দেশ দেন। ৩০ সেপ্টেম্বর দুবাই থেকে তেল আবিবগামী এই ফ্লাইটে ১৭৪ জন যাত্রী ও ক্রু ছিলেন। সহ-পাইলট হামাম আল-হাম্মামি ক্যাপ্টেন স্মিতের ওপর হঠাৎই ককপিটে থাকা ‘ক্র্যাশ অ্যাক্স’ দিয়ে প্রাণঘাতী আক্রমণ করেন। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিমানটি ১৭,০০০ ফুট নীচে নেমে এসেছিল। যাত্রীদের প্রাণ রক্ষা করতে মরিয়া স্মিত আহত অবস্থাতেই ককপিটের দরজা খোলার শেষ চেষ্টা করেন। এরপর দুজন বিকল্প পাইলট বিমানটিকে সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করান।

আরও পড়ুন: খড়্গপুরের রাস্তায় গুলিবিদ্ধ স্কুলছাত্র, আটক ৫, তদন্তে ৭ পুলিশ

তাবুকের হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর স্মিতকে আবুধাবির হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ডাক্তাররা জানিয়েছেন, ক্যাপ্টেন স্মিতের আঘাত এতটাই জোরালো ছিল যে, মাথার খুলিতে চিড় ধরে হাড় ভেতরের দিকে ঢুকে যায়। অল্পের জন্য প্রাণ বেঁচেছে তাঁর। মঙ্গলবার তার মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচারও হয়েছে। ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে যে, তাঁর অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। সেদিনের সেই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে গিয়ে দন্তচিকিৎসক শোতা মুসায়েভ বলেন, “স্মিত আমাদের জীবন বাঁচিয়েছিলেন, আর আমরা বাঁচিয়েছিলাম তাঁর জীবন।”

Leave a Comment