=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

পুত্রদের পাশাপাশি মেয়েরাও কি তর্পণ করতে পারে? জানুন কী বলছে শাস্ত্র

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পিতৃপক্ষ (Pitru Paksha 2026) শেষ হতে আর মাত্র ২ দিন বাকি, আগামী শনিবার মহালয়া। ওইদিন পিতৃপুরুষরা উত্তরপুরুষদের হাত থেকে জল নিয়ে পরম মুক্তির স্বাদ (Tarpan Rituals) গ্রহণ করে ফিরে যান। এ বছর পিতৃপক্ষ শুরু হয়েছিল ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে। হিন্দুধর্ম অনুসারে পূর্বপুরুষের তর্পণের জন্য প্রশস্ত সময় হলো পিতৃপক্ষ। কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে এই তর্পণ প্রক্রিয়া কি শুধু ছেলেরাই পালন করতে পারে? মেয়েরা নয় (Women Tarpan Rituals)? চলুন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।

মহিলারা কি তর্পণ করতে পারবেন?

সাধারণত মৃত ব্যক্তির পুত্রই শ্রাদ্ধ এবং তর্পণ করে থাকেন। মূলত পূর্বপুরুষদের জন্য এই আচারগুলি পরিবারের পুরুষ সদস্যরাই পালন করে থাকেন। এর ফলে অনেকের বিশ্বাস যে মহিলারা শ্রাদ্ধ বা পিণ্ডদান করতে পারেন না। কিন্তু এই তথ্য সত্য নয়, শাস্ত্র অনুসারে কোনও কোনও ক্ষেত্রে মহিলারাও তর্পণ শ্রাদ্ধ করতে পারেন। হিন্দুধর্ম অনুযায়ী, মৃত পূর্বপুরুষের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত যে কেউ তর্পণ করতে পারেন। অর্থাৎ পুত্র না থাকলে, মৃত ব্যক্তির স্ত্রীর শ্রাদ্ধ করার অধিকার রয়েছে, তেমনই পুত্র না থাকলে কন্যাও এই শ্রাদ্ধ বা তর্পণ করতে পারবেন।

কী বলছে শাস্ত্র?

পুরাণ মতে, রামায়ণে রাজা দশরথের মৃত্যুর পর রামের অনুপস্থিতিতে তাঁর পিণ্ডদান করেছিলেন রাম-পত্নী সীতা। এমনকি মহাভারতেও মেয়েদের তর্পণের নিদর্শন আছে। মহাভারতের স্ত্রী-পর্বে বলা হয়েছে যুদ্ধের পর কৌরব পুত্রদের তর্পণ করেছিলেন তাঁদের স্ত্রীরা। অর্থাৎ পুত্র না থাকলে মৃত ব্যক্তির মেয়ে যেমন শ্রাদ্ধকর্মের অধিকারী অন্যদিকে আবার মৃত ব্যক্তি অবিবাহিত হলে তাঁর মা এবং বোনও শ্রাদ্ধ করতে পারেন। শুধু তাই নয়, পুত্রবধূও তা করতে পারেন।

আরও পড়ুন: জানেন কেন দাহের আগে মৃতদেহ বেঁধে রাখা হয়?

হিন্দু রীতি অনুযায়ী প্রিয়জনের মৃত্যুর পর তাঁর আত্মাকে মুক্তি দিতে পিণ্ডদান করা হয়ে থাকে। কালো তিল ও ভাতের মণ্ড বানিয়ে তা প্রয়াত পূর্বপুরুষের উদ্দেশ্যে অর্পণ করা হয়। কাককে এক্ষেত্রে যমের দূত হিসেবে গণ্য করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, পিণ্ডদান করলে আত্মা নরক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবে এবং জন্ম ও মৃত্যুর এই চক্র থেকে সেই আত্মা চিরতরে মুক্তি লাভ করবে। তাই তর্পণ করার ক্ষেত্রে মহিলাদের কোনো বাধা নিষেধ নেই।

Leave a Comment