বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: অক্টোবরের শুরুতেই IFA শিল্ডের গুরুত্বপূর্ণ ডার্বি (East Bengal Vs Mohun Bagan)। সেই আসরেই মোহনবাগানের কাছে হেরেছে ইস্টবেঙ্গল। এক কথায়, খারাপ ফুটবল খেলেই এদিন শূন্য পকেটে মাঠ ছাড়তে হয়েছে লাল হলুদের ছেলেদের। আর সেই ম্যাচের পরই ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারকে (Debabrata Sarkar) ঘিরে ধরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন কয়েকজন মোহনবাগান সমর্থক। শুধু তাই নয়, লাল হলুদ কর্তার উপর হামলার অভিযোগও উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
ম্যাচ শেষে চরম হেনস্থার শিকার দেবব্রত সরকার
গতকাল নির্ধারিত সময়ে শুরু হয়েছিল শিল্ডের ইস্টবেঙ্গল বনাম মোহনবাগান ডার্বি। ফাইনালের সেই মঞ্চে একেবারে শুরু থেকেই দাপট দেখাচ্ছিল দুই দলই। তবে ম্যাচের 15 মিনিট পর থেকে পুরোপুরি আক্রমণে যায় সবুজ মেরুন। সেই সূত্র ধরেই কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রথম গোল আসে গঙ্গা পাড়ের দলের ঝুলিতে। আর জেলকোভিচের সেই গোলটাই হারিয়ে দিয়েছে ইস্টবেঙ্গলকে।
বলাই বাহুল্য, এদিনের ম্যাচে লাল হলুদের ক্ষিপ্ততা দেখা যায়নি। গোল হজম করে পাল্টা গোল করার যে একটা বেগ থাকার কথা ছিল সেটাও গতকাল দেখা যায়নি ইস্টবেঙ্গলের। বরং একটা সময় মোহনবাগানের বিরুদ্ধে চাপে পড়ে ক্রমাগত খারাপ ফুটবল খেলে গিয়েছেন এডমুন্ডরা। আর সেটার সুযোগ নিয়েই শিল্ড জয় করেছে মোহনবাগান। এদিন ম্যাচ শেষের পর স্বাভাবিকভাবেই ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের উদ্দেশ্য করে নানান মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছিল বাগানিদের। তবে ম্যাচের পর লাল হলুদ কর্তাকেও যে হেনস্থার শিকার হতে হবে সেটা জানা ছিল না অনেকেরই!
আরও পড়ুন: রেজিনগরে হুমায়ুন-পুত্রকে পিছনে ফেলে এগিয়ে বিজেপি, নন্দীগ্রামেও পাল্লা ভারী রথের
এদিন ম্যাচের পর স্টেডিয়াম থেকে বেরিয়ে গাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন সাংবাদিক বন্ধুরা। ঠিক সেই সময় দেবব্রত বাবুকে ঘিরে ধরে স্লোগান দিতে থাকেন মোহনবাগানের কয়েকজন। বাগানের জার্সি গায়ে বেশ কয়েকজন সমর্থকের বিরুদ্ধে দেবব্রত সরকারকে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে। ক্যামেরার সামনেই লাল হলুদ কর্তা দেবব্রত সরকারকে পুলিশের উদ্দেশ্যে বলতে শোনা গেল, “আমরা চলে আসবো কী, আপনার সামনেই তো মারল।” সব মিলিয়ে, ডার্বি ঘিরে আরেক নক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী থাকল কলকাতা।