=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ক্লাস বাদ দিয়ে মেকআপ! অর্ধেক বেলায় ছুটি, পুরুলিয়ার স্কুল শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পুরুলিয়ার (Purulia) প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বেহাল দশা পড়াশোনায়! পর্যাপ্ত পরিকাঠামো ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা থাকলেও স্কুলে পড়ুয়াদের ঠিক মতন শিক্ষা প্রদান করছেন না শিক্ষিকারা। শুধু তাই নয়, দিনের পর দিন প্রধান শিক্ষিকার প্রতি সহশিক্ষিকাদের অবজ্ঞা (Teachers Negligence), অসম্মান যেন বেড়েই চলেছে পড়ুয়াদের সামনে। আর তাই এবার সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। প্রতিবাদে সরব হয়েছেন অভিভাবকদের একাংশ।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হচ্ছে না পড়াশোনা

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়া জেলার চকবাজার এলাকায় অবস্থিত খেলিয়াচণ্ডী প্রাইমারি স্কুলে। সেখানে ৮ জন সহশিক্ষিকা থাকলেও পড়াশোনা কিছুই করানো হয় না পড়ুয়াদের। বাকি স্কুলের মত এই স্কুলের নির্দিষ্ট সময় থাকলেও শিক্ষিকারা নিজেদের মর্জিমতো স্কুলে আসেন। ক্লাস শুরু হতে হতে বেজে যায় সকাল সাড়ে ১১ টা। স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। মাঠে ছেলেরা খেলাধুলো করলেও সেই খেয়াল রাখেন না স্কুলের শিক্ষিকারা। এমনকি দুপুর দেড়টা বাজতে না বাজতেই স্কুল ছুটি হয়ে যায়। তখন গোটা স্কুলের দায়িত্ব সামলাতে হয় প্রধান শিক্ষিকাকে।

স্কুলের নিয়ম মানছে না শিক্ষিকারা

এক অভিভাবকের অভিযোগ, স্কুলে প্রধান শিক্ষিকাকে কেউ পাত্তা দেয় না, সবসময় পড়ুয়াদের সামনে নানাভাবে অপমান করা হয়। শুধু তাই নয়, শিক্ষিকারা স্টাফ রুমে নিজেদের ইচ্ছেমতো অনলাইনে খাবার অর্ডার করে, মেকআপ করে কিন্তু বাচ্চাদের ঠিকভাবে পড়ায় না। প্রধান শিক্ষিকা ঠিকঠাকভাবে স্কুল চালানোর চেষ্টা করলেও কোনো ভাবে শিক্ষিকারা স্কুলের নিয়ম পালন করছে না। তাই আমাদের দাবি এই স্কুলে ঠিকঠাকভাবে সমস্ত নিয়ম মানা হোক, বাচ্চাদের যেন ঠিকভাবে পড়াশোনা হয় এবং বাচ্চাদের সুরক্ষা ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন: কেন দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউতে ধর্নায় বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরা?

প্রসঙ্গত, বেশ কিছু জেলায় আজও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও পড়ুয়াদের ঠিকমতো পঠনপাঠন হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠে আসছে। কোথাও আবার সঠিক পরিকাঠামো নেই, তার সঙ্গে রয়েছে মিড ডে মিলের কারচুপি। এর ফলে শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে। যদিও সরকার পরিবর্তন হতেই বেশ কিছু জেলায় এই সমস্যা ঠিক করা হয়েছে। এখন দেখার পড়ুয়াদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বিজেপি সরকার আর কী কী পরিবর্তন আনে।

Leave a Comment