=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

৪ স্ত্রী, ৫৮ সন্তান, ঘরে নেই খাবার! আফগানিস্তানের সাদেকের দুর্দশা চোখে জল আনবে

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সাধারণত পাকিস্তান, আফগানিস্তানের (Afghanistan) মতো দেশে এক পরিবারে একাধিক সন্তান এবং বহু স্ত্রী রয়েছে এমন উদাহরণ কম নেই। তবে এক ব্যক্তি 58 জন সন্তানের বাবা এমন ঘটনা নেহাতই বিরল। আর সেই বিরল ঘটনা ঘটিয়েছেন আফগানিস্তানের উরুজগান প্রদেশের মোহাম্মদ সাদেক। চার স্ত্রী, 58 সন্তান মিলিয়ে বিশাল পরিবার তাঁর। তবে চরম দারিদ্রতার মধ্যে সকলের মুখে অন্ন তুলে দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আফগানিস্তানের বাসিন্দা সাদেককে। শেষে বাধ্য হয়ে আল্লাহর উপর কার্যত সব ছেড়ে দিয়েছেন তিনি!

সাদেকের দারিদ্রতায় ভুগছে খুদেরাও

বিবিসি গ্লোবালের রিপোর্ট অনুযায়ী, আফগানিস্তানের সাদেক বাবা হয়েছিলেন 70 এর বেশি সন্তানের। কিন্তু তাঁদের মধ্যে শেষ পর্যন্ত 58 জনই বেঁচেছে। সাদেকের সবচেয়ে ছোট সন্তানের বয়স এখন তিন মাস। তবে পরিবার বিশাল হলেও আফগানিস্তানের এই ব্যক্তির আয় একেবারে সামান্য। আর সেই অল্প আয় দিয়ে পরিবারের এত জনের মুখে ঠিকমতো অন্ন তুলে দেওয়া তাঁর পক্ষে কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠেছে।

বর্তমানে আর্থিক পরিস্থিতি যা তাতে পরিবারের মুখে খাবার তুলে দেওয়াই সাদেকের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্ষমতা না থাকায় বেশিরভাগ দিনই না খেয়ে ঘুমোতে হয় সন্তানদের। খাওয়ার জোটেনা সাদেক ও তাঁর স্ত্রীদেরও। জানা গিয়েছে, সাদেক আফগানিস্তানের একটি গাড়ির শোরুমে কাজ করেন। সেখানে প্রতিটি গাড়ি বিক্রি করতে পারলে মেলে 1 হাজার আফগানি রুপি। তবে এই সামান্য আয় দিয়ে 60 জনেরও বেশি সদস্যের মুখে অন্নটুকু তুলে দিতে পারেন না সাদেক। এছাড়া পোশাক-আশাক, চিকিৎসা সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয় তো রয়েছেই।

আরও পড়ুন: স্বামী দিনমজুর, খুব কষ্টে চলে সংসার! ৭ টাকার লটারি কেটে কোটিপতি হলেন গৃহবধূ

যদিও আর্থিক সংকটের মধ্যে উপার্জনের জন্য বাড়ির বড় ছেলেদের কাজে নামাতে হয়েছে সাদেককে। জানা গিয়েছে, তাঁরা রাস্তার আনাচে কানাচে পড়ে থাকা প্লাস্টিকের মতো বিভিন্ন পরিত্যক্ত জিনিস বিক্রি করে যত সামান্য আয় করেন। এদিকে অর্থ না থাকায় আগেই নানান রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর বিনা চিকিৎসায় হারাতে হয়েছে অন্তত 14 সন্তানকে। এমন পরিস্থিতিতে আগামী দিনে কীভাবে জীবন চলবে সেটাই ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত সাদেক। জানা গিয়েছে, মাঝেমধ্যে খিদের জ্বালা নিবারনের জন্য পথ চলতি মানুষের কাছে হাত পাততে হয়েছে, সাদেক এবং তাঁর সন্তানদের। আফগানিস্তানের বাসিন্দার এমন দুরবস্থা দেখে একটা বড় অংশের চোখ ভিজলেও বাংলাদেশের জনপ্রিয় লেখিকা তসলিমা নাসরিন অবশ্য গোটা আফগান পরিবারটির বর্তমান পরিস্থিতির জন্য একমাত্র সাদেককেই দায়ী করেছেন।

Leave a Comment