বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইন্ডিয়ান সুপার লিগে জ্বলে উঠেছে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC)। চার্চিল ব্রাদার্সকে 4-0 গোলে হারানোর পর এবার ইন্টার কাশীকে 5 গোল খাইয়ে জিতল লাল হলুদ। বিদেশিহীন প্রতিপক্ষ দলটিকে অভিজ্ঞতার বিচারে সমীহ করলেও মাঠে দাপট দেখাতে একটুও কৃপণতা করলেন না আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। সামনে যেহেতু এসিএল টুয়ের ম্যাচ, কাজেই এই জয় মশাল ব্রিগেডের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে আত্মবিশ্বাস পাবে গোটা দল।
লাল হলুদের জয়ে মন ভরল ভক্তদের
প্রথম ম্যাচে সাফল্যের পরেও ইন্টার কাশীর ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের একাদশে একাধিক বদল করেছিলেন নতুন কোচ হাবাস। আগে থেকেই ডিফেন্সে দিয়েগো জিভুলিচকে বিশ্রামে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে রাখা হয়েছিল পিভি বিষ্ণু, বিপিন সিং এবং একে লোবাকে। লোবা পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে না পারলেও এদিনের ম্যাচে নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিলেন। তাঁর শক্তিকে কাজে লাগিয়েই ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে প্রথম থেকে ঝড় তুলে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল।
শুক্রবারের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে প্রথম গোল করেন রামিরেজ। 8 মিনিটের মাথায় এই সাফল্য অর্জন করেন তিনি। খেলা যখন 16 মিনিটের মাথায় লাল হলুদের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করলেন পিভি বিষ্ণু। পরপর দুই গোল নিয়ে আত্মবিশ্বাসে একেবারে তেড়ে-ফুরে ওঠে লাল হলুদ। একটানা আক্রমণের মধ্যে দিয়ে 22 মিনিটের মাথায় রামিজের সহযোগিতায় পেনাল্টি পেয়ে দুর্ধর্ষ গোল করেন লোবা। 35 মিনিটে গিয়ে ফের গোল আসে তাঁর পা থেকেই। যদিও এর মাঝে 28 মিনিটের মাথায় নুঙ্গার আত্মঘাতী গোলে বোর্ডে প্রথম সংখ্যা যোগ করেছিল ইন্টার কাশি। আর সেটাই শেষ সংখ্যা হয়ে থাকল লাল হলুদের প্রতিপক্ষের।
আরও পড়ুন: প্রতিদিন মিলতে পারে ২ লক্ষ ঘনমিটার গ্যাস! ভারতে ফের মিলল প্রাকৃতিক গ্যাসের ভান্ডার
খেলা যখন 40 মিনিট অতিক্রান্ত সব রকম চেষ্টা করে দুই দলই স্কোর বাড়ানোর পথে। তবে শেষ পর্যন্ত পরবর্তী গোল করতে পারেনি কেউই। তাতে 4-1 ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। এরপর খানিকটা রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলে 81 মিনিটের মাথায় ইন্টার কাশির কফিনে শেষ পেরেকটা পুঁতে দেয় লাল হলুদ। লুকাস জিলিনস্কির পায়ে পঞ্চম গোল নিয়েই শেষ পর্যন্ত ম্যাচ নিজেদের নামে লিখে নেয় শহরের এই ঐতিহ্যবাহী দল। মশাল ব্রিগেডের একের পর এক সাফল্যে মন ভরল সমর্থকদেরও!