=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

অনুশীলন করতে দেয়নি ক্লাব কর্তৃপক্ষ, মিস্ত্রির ছেলে সুদীপ ঘরামির অতীত জানলে কষ্ট হবে!

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কিছুদিন আগেই রঞ্জি ট্রফিতে ইতিহাস গড়েছিলেন বাংলার ব্যাটার সুদীপ ঘরামি (Sudip Kumar Gharami)। এদিন কোয়ার্টার ফাইনালে অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধে 299 রান করে নিজের জাত চিনিয়েছিলেন তিনি। উজ্জ্বল করেছিলেন বাংলার মুখ। একটুর জন্য ট্রিপল সেঞ্চুরি হাতছাড়া হলেও নিজের ইনিংস নিয়ে খুশি নৈহাটির সুদীপ। সেই কেরামতির পর সেমিফাইনালেও নিজের ছন্দ বজায় রাখেন তিনি। বাংলার হয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের বিরুদ্ধে দুর্ধর্ষ ব্যাটিং করে সেঞ্চুরি করেন সুদীপ। তাতে ফের ছন্দে ফেরে বাংলা। কিন্তু বারবার যে সুদীপের কাঁধে ভর করে রক্ষা পেয়েছে বাংলা দল, সেই ক্রিকেটারের জীবনের অন্ধকার দিক খুব কম লোকই জানেন।

জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে দুর্ধর্ষ লড়াই সুদীপের

রঞ্জি ট্রফির চলতি ম্যাচে জম্মু ও কাশ্মীরের বিরুদ্ধে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলা। আর নেমেই ধাক্কা খায় দলটি। মাত্র দুই বলেই শূন্য নিয়ে ফেরেন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটসম্যান সুদীপ চ্যাটার্জী। যদিও ওপেনার অভিমন্যু ঈশ্বরন এদিন 49 রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। আর তারপরই তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সকলকে চমকে দিলেন সুদীপ। 246 বল খেলে 21টি চার ও 1টি হয় সহযোগে 146 রানের ভরসাযোগ্য ইনিংস খেলেন তিনি। সুদীপের দাপুটে ব্যাটিংয়ের জোরেই এদিন জম্মু ও কাশ্মীরের সামনে 328 রান রাখে বাংলা। সেই সূত্রেই 184 রানের ট্রায়াল নিয়ে দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করছে প্রতিপক্ষ দল।

সুদীপের অতীত মন ভার করবে

1999 সালের 21 মার্চ, জন্ম হয় বাংলার দাপুটে ব্যাটসম্যান সুদীপ ঘরামির। উত্তর 24 পরগনার নৈহাটিতেই বেড়ে ওঠা তাঁর। ছেলেবেলা থেকে অভাবের সাথে লড়াই করতে হয়েছে সুদীপকে। বাবা ছিলেন একজন চুক্তিভিত্তিক মিস্ত্রি। তিনি যে আয় করতেন তা দিয়ে পরিবারের সকলের পেট চালানো দুষ্কর। এদিকে ছোট থেকে ক্রিকেট পাগল ছেলের স্বপ্ন পূরণ করতেই হবে। তাই নিজের সাধ্যের বাইরে গিয়ে পরিচিতদের কাছ থেকে টাকা ধার করে সুদীপকে ক্রিকেট ব্যাট থেকে শুরু করে অন্যান্য ক্রীড়া সরঞ্জাম কিনে দিতেন বাবা। একটা সময় এমনও গেছে, অনুশীলনের স্থানীয় এক ক্লাবের মাঠে গেলে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল সুদীপকে। অনুশীলন করতে দেয়নি ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

এই সময় ত্রাতা হয়েছিলেন সুদীপের ছেলেবেলার কোচ দেবেশ চক্রবর্তী। তিনিই দায়িত্ব নিয়েছিলেন সুদীপকে বাংলার জনপ্রিয় ক্রিকেটার করে তুলবেন। সেই মতোই, রাজ্যের বিভিন্ন গ্রাউন্ড কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে সুদীপের জন্য অনুশীলনের ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি। জানা যায়, নিজের সর্বস্ব দিয়ে সুদীপকে ক্রিকেট শেখানোর পাশাপাশি বাঙালি ক্রিকেটারের হাতে মাঝেমধ্যে হাত খরচার টাকাও গুঁজে দিতেন কোচ দেবেশ। এভাবেই কোচের হাত ধরে ক্রমাগত অনুশীলনের মধ্যে দিয়ে ভাগ্যের চাকা ঘোরে সুদীপের

অবশ্যই পড়ুন: তৈরি হবে নতুন টানেল, ব্রিজ! আরও কম সময়ে হাওড়া থেকে মুম্বই, বড় পদক্ষেপ রেলের

2019-20 রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে সুযোগ পেয়ে যান সুদীপ। যদিও প্রথমদিকে সে কথা নিজেই জানতেন না বাঙালি ক্রিকেটার। 2020 সালের 9 মার্চ রঞ্জির ফাইনাল দিয়েই প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল সুদীপের। এদিন সৌরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিজেকে একেবারে মেলে ধরেছিলেন সুদীপ। আর সেটাই যেন বাঙালি ক্রিকেটারের জীবন বদলে দেয়। এরপর থেকে বাংলা দলে নিয়মিত তিনি। চলতি রঞ্জি ট্রফিতে বাংলার হয়ে কার্যত একাই প্রতিপক্ষকে শিক্ষা দিয়ে চলেছেন তিনি। অনেকেই মনে করছেন, সুদীপ যেভাবে এগিয়ে চলেছেন তাতে আগামী দিনে ভারতীয় দলে সুযোগ করে নেওয়াটাও তাঁর পক্ষে আহামরি কিছু না।

Leave a Comment