বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কিছুদিন আগেই ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ ইলিশ মাছ (Hilsa Fish) আমদানি করছিলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) ব্যবসায়ীরা। তবে ওপার বাংলায়, ভারতের ইলিশ পদ্মার ইলিশ বলে অধিক দামে বিক্রির অভিযোগ ওঠায় একাধিক কারণ দেখিয়ে এদেশ থেকে মাছ আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে ঢাকা। পাশাপাশি বাতিল করা হয়েছে 103টি অনাপত্তিপত্র। এমতাবস্থায়, বাংলাদেশের মাছ ব্যবসায়ীদের একটা বড় অংশের অভিযোগ, ভারত থেকে নাকি চোরাপথে বেআইনিভাবে বাংলাদেশে পৌঁছাচ্ছে ইলিশ মাছ!
নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ভারত থেকে বাংলাদেশে যাচ্ছে ইলিশ?
বাংলাদেশ সামুদ্রিক মৎস্য সমিতি দাবি করেছে, ওপার বাংলার সরকার ভারত থেকে ইলিশ মাছ আমদানি আপাতত পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে দিলেও নাকি এদেশ থেকে ওপার বাংলায় অবৈধভাবে যাচ্ছে ইলিশ মাছ। ওই মৎস্য সমিতির বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের বাজারে নাকি এখনও ঢুকছে ভারতের ইলিশ। যদিও বাংলাদেশের উপকূলরক্ষী বাহিনী ভারত থেকে চোরাপথে ইলিশ মাছ বাংলাদেশে পাঠানোর মতো দাবি উড়িয়ে দিয়েছে।
বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশনের সচিব শেখ আবিদ হোসেন জানিয়েছেন, “ভারত থেকে ইলিশ আমদানির অনাপত্তিপত্র বা NOC প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর 23 সেপ্টেম্বর ভেটখালীর নিকটবর্তী সুন্দরবনের অদূরে হরিয়াভাঙ্গা নদী দিয়ে 74 টন ইলিশ বাংলাদেশে এসেছে। পরে সেই মাছ কুয়াকাটা, আলিপুর, মহিপুর, পাথরঘাটা, ভোলা, চর ফাসান, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও ঢাকায় সরবরাহ করা হয়।”
আরও পড়ুন: “ভারত যদি চায় আমরা তাদের উপর হামলা করি, তাহলে সেই ইচ্ছে পূরণ হবে” জানিয়ে দিল পাকিস্তান
আবিদ সহ বাংলাদেশের মাছ ব্যবসায়ীদের একেবারে স্পষ্ট বক্তব্য, ভারত থেকে ইলিশ আমদানি নিষিদ্ধ করে দেওয়ার পরেও নাকি ওপার বাংলায় অবৈধভাবে ইলিশ মাছ পাঠানো হয়েছে ভারতের তরফে! যদিও এমন দাবি অস্বীকার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড! সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, ভারত থেকে ইলিশ আমদানি নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়ার পরই বাংলাদেশের উপকূলীয় এবং সীমান্ত এলাকায় নানাভাবে নজরদারি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সদস্যরা!