=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

আমেরিকার সাথে ইউনূসের ‘গোপন’ চুক্তিতে রপ্তানি বাজারে নামবে ধস! আশঙ্কা বাংলাদেশে

Bangladesh-US Trade

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে অর্থাৎ আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য (Bangladesh-US Trade) চুক্তি সই করতে চলেছে ওপার বাংলা। হ্যাঁ, এমন খবর সামনে আসতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। কারণ, চুক্তির শর্তাবলী বা কাঠামো সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও রকম তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। আর এই গোপনীয়তাই আরও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। কী রয়েছে চুক্তিতে?

অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

বর্তমানে বাংলাদেশের দায়িত্ব থাকা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস নির্বাচিত নন। এই বিষয়টিকে সামনে এনে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছে, এত বড় অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার গণতান্ত্রিক বৈধতা আছে কিনা। সমালোচকদের স্পষ্ট বক্তব্য, সরকার নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সরে দাঁড়াবে। এমনকি তাদের পক্ষে দীর্ঘমেয়াদী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তিতে দেশকে আবদ্ধ করা যুক্তিসঙ্গত নয়।

এদিকে সম্প্রতি এমন এক তথ্য উঠে এসেছে, যা আরও উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি নন ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট সই করেছিল ইউনূস প্রশাসন। অর্থাৎ আলোচনার শর্ত বা অগ্রগতি জনসমক্ষে আনা যাবে না। নির্বাচনের ঠিক আগে এই চুক্তি চূড়ান্ত করার তাড়াহুড়ো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে যে, কেন তাহলে এত গোপনীয়তা? নির্বাচন পরবর্তী সরকারকে অপেক্ষা করা হল না কেন? এমনকি দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব কী পড়তে পারে?

অর্থনীতিবিদ তথা জনবুদ্ধিজীবী আনু মহম্মদ সামাজিক মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, নির্বাচনের আগে বন্দর লিজ, অস্ত্র আমদানি, বাণিজ্য চুক্তির মতো এত বড় সিদ্ধান্ত কেন তড়িঘড়ি নেওয়া হচ্ছে? আর এই তিনি প্রক্রিয়াকে অসহযোগ থেকে এবং অনিয়মিত বলেই আখ্যা দিয়েছেন। এমনকি বিদেশিদের বিদেশি লবিস্টদের প্রভাবের অভিযোগ তুলেছেন।

রফতানি শিল্প নিয়ে উদ্বেগ

প্রসঙ্গত, সবথেকে বড় দুশ্চিন্তা দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের রফতানি খাতে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পে। পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ প্রায় ৭ থেকে ৮.৪ বিলিয়ন ডলারের পোশাক ও টেক্সটাইল রফতানি করে। এর মধ্যে প্রায় ৯৬% জুড়ে গার্মেন্টস। এমনকি এই শিল্পে কর্মসংস্থান ৪ থেকে ৫ মিলিয়ন মানুষের, যাদের অধিকাংশই নারী। ফলত যে কোনও শুল্ক বা বাজার শর্ত পরিবর্তন সরাসরি লক্ষ লক্ষ পরিবারের জীবিকার উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুন: অনলাইনে প্রতারণার শিকার হলে মিলবে ২৫ হাজার টাকা, ঘোষণা RBI-র

অন্যদিকে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় পণ্যের উপর প্রায় ১৮% শুল্ক আরোপিত। যেখানে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা ২০%। রফতানিকারকদের আশা ছিল, নতুন চুক্তিতে সেই হার কমিয়ে ১৫% করা হবে। কিন্তু গোপন চুক্তি হওয়ার আশঙ্কা উল্টো হতে পারে। কারণ, প্রতিযোগিতা সেক্ষেত্রে আরও কঠিন হতে পারে বলে মত প্রকাশ করছে বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি এনামুল হক জানিয়েছেন, এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই শিল্প মহলের সঙ্গে আলোচনা করা গুরুত্বপূর্ণ। তবে এতে ঠিক কারা লাভবান হবে বা কোন কোন দিক ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তা নিয়ে ব্যবসায়িক মহলে যে উদ্বেগ বাড়ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

Leave a Comment