=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ইরানের চালেই কাবু আমেরিকা! ৪০ দিনের যুদ্ধের চমকপ্রদ সত্য

ভাবুন তো – একদিকে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ আমেরিকা! আর তাদের সাথে রয়েছে উন্নত ড্রোন, অস্ত্র আর প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকা ইজরায়েল। আর অন্যদিকে রয়েছে, মাত্র ১০ কোটি জনসংখ্যার ছোট্ট একটি দেশ ইরান।

যুদ্ধের শুরুতেই সকলেই ভেবেছিল – ইরানকে তুড়ি মেরে কাবু করবে আমেরিকা এবং ইজরায়েল। কারণ যুদ্ধের প্রথম দিনেই ইরানের সুপ্রিমোকে খতম করে দিয়েছে তারা – কিন্তু দেখুন গত ৪০ দিন ধরে লড়াই করেও ইরানকে কাবু করতে পারল না আমেরিকা! এমনকি আমেরিকা এবার ব্যাকফুটে গিয়ে ঘোষণা করেছে টানা দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির!

কিন্তু ভেবে দেখেছেন – কেন টানা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলার পরেও ইরানকে পরাস্ত করতে পারল না আমেরিকা (Iran USA War)? কেন হঠাৎ করেই ইরানের বিরুদ্ধে সিজফায়ার ঘোষণা করল ট্রাম্প? কেনই বা বলা হচ্ছে এই যুদ্ধ আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুল? কেন ১৬ নম্বরে থাকা ইরানি সৈন্যদের হারাতে হিমশিম খেল ১ নম্বরে থাকা আমেরিকান সেনারা?

আজ India Hood ডিকোডে আমরা তুলে ধরবো আন্তর্জাতিক স্তরের এমন কিছু তথ্য, যা জানলে অবাক হয়ে যাবেন আপনিও! তাই ধৈর্য ধরেl লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন, আর পড়ার পর অবশ্যই শেয়ার করুন।

দিনটা ৫ই এপ্রিল। হঠাৎ করেই মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইট করে জানান, ৭ই এপ্রিল রাত্রি বেলায় ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুতে হামলা চালাবে আমেরিকা। এমন হামলা আগে কখনও হয়নি। একটা সভ্যতা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে। এমনকি ওই পোস্টে একাধিক আপত্তিকর এবং অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করেন ট্রাম্প।

কিন্তু, ৮ তারিখ সকাল হতেই দেখা গেল – ফাঁকা কলসির আওয়াজ বেশি, আর সেই আওয়াজ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। কারণ এবার তিনি টুইট করে জানালেন – ১৪ দিনের জন্য দুপক্ষ থেকে করা হবে সিজফায়ার, অর্থাৎ যুদ্ধ বিরতি। চলবে নাকি শান্তি-সমঝোতা!

কিন্তু এটা কি এমনি এমনি করল আমেরিকা? নাকি ল্যাজেগোবরে অবস্থা হয়ে একপ্রকার বাধ্য হয়ে যুদ্ধের ময়দান ছাড়ল ট্রাম্প?

ইরানের বিরুদ্ধে ল্যাজেগোবরে আমেরিকা

গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ইরানের ওপর হঠাৎ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। মৃত্যু হয় সুপ্রিমো খামেইনি সহ আরও শীর্ষ নেতাদের। হামলা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে নিস্তার পায়নি সাধারণ মানুষ থেকে শিশুরাও।

এরপর পাল্টা আক্রমণ হানে ইরান। ইজরায়েলের মাটিতে সরাসরি আক্রমণ যেমন চলছিল, পাশাপাশি আক্রমণ চলছিল মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিতে। আর এই যুদ্ধে ধীরে ধীরে যোগ দিতে থাকে ইরানের প্রক্সি গ্রুপ – হামাস, হুতি আর হেজবোল্লাহরাও। আর এতদূর পর্যন্ত আপনারা প্রত্যেকেই জানেন।

কিন্তু এরপর থেকে যুদ্ধ হতে থাকে আরও ভয়াবহ। কখনও ইরানের তেলের ঘাঁটিতে হামলা করছে আমেরিকা, আবার কখনও মার্কিন সেনাঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইরান, আবার কখনও ইজরায়েলের রাজধানীকে টার্গেট করছে হামাস-হুতিরা।

কিন্তু যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বলছে আমেরিকা-ইজরায়েলে একসাথে ইরানের কিচ্ছু করতে পারেনি। কারণ –

এই যুদ্ধে একদিকে এখনও পর্যন্ত ইরানে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৫০০৭ জন সৈনিকের, ১৫০৮ জন সাধারণ নাগরিকের, আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২১,০৭৯। ইরানের ক্ষতির পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ কোটি টাকা। শুধু তাই নয়, যুদ্ধের কারণে ইরানের আয়ও কমে গিয়েছে।

এই যুদ্ধের ফলে ইজরায়েলে মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের, আর আহত হয়েছে ৬,৫৯৪ জন। আর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ছাড়িয়েছে প্রায় ১০ লক্ষ কোটি টাকা।

আবার অন্যদিকে আমেরিকার কোনও নাগরিক এই যুদ্ধে প্রাণ না হারালেও, এখনও পর্যন্ত ১৩ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে, এবং আহত ৩০০ জন। আর আমেরিকার এই যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত খরচ হয়েছে প্রায় ৪ লক্ষ কোটি টাকা। অবস্থা এমন যে ট্রাম্প দেশের আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্যে ২০২৭ সালের জন্য ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের সামরিক বাজেট ঘোষণা করার অনুরোধ করেছে। শুধু তাই নয়, আমেরিকার জনগণই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে চলে গিয়েছে এবং দাবী তুলছে “নো কিং”।

এতক্ষণ ধরে এই তথ্যগুলো তুলে ধরার কারণ একটাই যে, ইরানের মত একটি ছোট্ট দেশের ক্ষতি করতে গিয়ে সবথেকে বেশি আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমেরিকাই।

কিন্তু, কেন ৪০ দিনেও ইরানকে কাবু করতে পারল না আমেরিকা?

যুদ্ধের প্রথম দিনেই যখন ইরানের সুপ্রিমোকে মেরে দেওয়া হয়েছিল, তখন সকলেই ভেবেছিল এই যুদ্ধে সহজেই ইরানকে কাবু করে ফেলবে আমেরিকা। কিন্তু, ধীরে ধীরে যখন এই যুদ্ধ ৩০ দিন অতিক্রম করে যায়, ঠিক তখনই প্রশ্ন উঠতে থাকে – বিশ্বের শীর্ষ শক্তিশালী দেশ হয়েও কেন ইরানকে হারাতে পারছে না আমেরিকা?

হ্যাঁ এটা ঠিক, ইরানের কাছে উন্নত মানের প্রযুক্তি নেই, হাতিয়ারও নেই, তারা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশও নয়। তবুও তারা এই যুদ্ধে কীভাবে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখল এবার সেগুলোই দেখে নেবো এক এক করে –

প্রথমত, ইরান সরাসরি যুদ্ধ করছে না। ছোট ছোট আক্রমণ, ড্রোন হামলা, এবং প্রক্সি ব্যবহার করে তারা এই যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্য যুদ্ধ জেতা নয়, যুদ্ধকে দীর্ঘ করা, এবং আমেরিকাকে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস করা।

দ্বিতীয়ত, চিন এবং রাশিয়ার সাথে বন্ধুত্ব করে কম দামের অস্ত্রে নিজেদের অস্ত্রাগার ভরিয়ে তুলেছে ইরান। যার ফলে এই যুদ্ধে ইরান, আমেরিকার বেশি ক্ষতি করাচ্ছে। যেমন – ইরানের একটি মিসাইলের দাম প্রায় ১৮.৫ কোটি টাকা, কিন্তু সেটি আটকাতে আমেরিকাকে ১১০ কোটি টাকার এয়ার ডিফেন্স মিসাইল ছুঁড়তে হচ্ছে। অর্থাৎ, একটি ইরানি মিসাইল আটকাতে আমেরিকার খরচ প্রায় ৬ গুণ বেশি।

এছাড়া ইরান হামলায় ব্যবহার করছে ৩২ লক্ষ টাকার শাহিদ ড্রোন। আর সেগুলো ঠেকাতে আমেরিকা ব্যবহার করছে প্রায় ১১৭ কোটি টাকার THAAD মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা ৩২ কোটি টাকার প্যাট্রিয়ট মিসাইল। অর্থাৎ, অনেক ক্ষেত্রেই আমেরিকার খরচ হচ্ছে ১০০ থেকে ৩৬০ গুণ বেশি।

তৃতীয়ত, ইরান নিজেদের সমস্ত ঘাঁটি এবং গোপন বাঙ্কার তৈরি করেছে পাহাড়ি এলাকায়, মাটির তলায়। যাতে সেগুলোর হদিশ সহজে না পাওয়া যায়, যাতে সেগুলোকে ধ্বংস না করা যায়।

চতুর্থত, ইরান এই যুদ্ধে হাতিয়ারের থেকেও বেশি ব্যবহার করছে কৌশলের। মাটিতে 3D মডেলের প্লেন, হেলিকপ্টার, সৈন্যঘাঁটি এঁকে তারা শত্রুদের দিয়ে ভুল জায়গায় আক্রমণ করাচ্ছে। আর ধীরে ধীরে তাদের দুর্বল করছে।

পঞ্চমত, আগেই বলেছি এই যুদ্ধে হাতিয়ারের থেকে বেশি ব্যবহার হচ্ছে কৌশলের। আর সেই কৌশলের একটি অংশ হিসাবে একটি বড় ভূমিকা পালন করছে ইরানের খরমুজ প্রণালী। কারণ ইরান হরমুজের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বিশ্বের অন্যান্য দেশে চাপ সৃষ্টি করছে, যারা আবার আমেরিকার মিত্র। তাই উল্টে ইরান আমেরিকার বিরুদ্ধেই চাপ সৃষ্টি করছে।

ষষ্ঠত, জিওপলিটিক্স কীভাবে করতে হত সেটা শেখা উচিত ইরানের থেকেই। ইরান, আমেরিকার বদলে – আমেরিকার সেনা ঘাঁটি রয়েছে এমন দেশগুলো যেমন – কাতার, লেবানন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে আক্রমণ করছে। যার ফলে এই দেশগুলিও এখন আমেরিকার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে, এক কথায় ব্যাকফুটে সরে গিয়েছে আমেরিকা।

কিন্তু, এত কিছুর পরেও কেন যুদ্ধে ইতি টানতে বাধ্য হল ট্রাম্প?

ইরান-আমেরিকার যুদ্ধ এমন এক পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে ছিল – সেখান থেকে এই যুদ্ধ যে থেমে যাবে, তা বলা কিন্তু খুবই মুশকিল ছিল।

কারণ একদিকে আমেরিকা নিজেদের ইমেজ এবং ইগো বাঁচাতে এই যুদ্ধ বন্ধ করবে, এটা অকল্পনীয় ছিল। তাই আমেরিকা ১৫ শর্তের মাধ্যমে ইরানকে আত্মসমর্পণ করাতে চেয়েছিল। তার ওপর আবার ইরানকে ধ্বংস করার ভয়ানক টুইট।

আবার অন্যদিকে, ইরানও না করে আত্মসমর্পণ, না পায় ভয়। আর তারা যে আত্মসমর্পণ করবে না, সেটাও বোঝা যাচ্ছিল, কারণ এই যুদ্ধে ধীরে ধীরে তারা বলীয়ান হচ্ছিল। আর চুক্তির কথা বললে, সেটাও যে ইরান সহজে মেনে নেবে না সেটাই একপ্রকার নিশ্চিত ছিল – কারণ শর্তগুলো তাদের দেশ এবং ধর্মের অস্তিত্বের বিপরীতে ছিল। উল্টে ইরান সামনে রাখে এমন কিছু শর্ত যা কোনোদিনই মানার কথা নয় আমেরিকার।

যেমন –

১। ইরান এবং তার সহযোগী গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে কোনও ধরনের হামলা করবে না আমেরিকা-ইজরায়েল,

২। সম্পূর্ণরূপে যুদ্ধ শেষ হোক,

৩। লেবাননে আক্রমণ করবে না ইজরায়েল,

৪। নিউক্লিয়ার ছাড়া ইরানের ওপর জারি থাকা সমস্ত নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে দেবে আমেরিকা,

৫। ইরানের প্রক্সি গ্রুপ, যেমন – হেজবোল্লাহ, হুতি – এদের নিরাপত্তা দিতে হবে,

৬। হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ থাকবে ইরানের হাতেই, এবং যে জাহাজ হরমুজ ক্রস করবে, তাদের থেকে জাহাজ পিছু ২ মিলিয়ন ডলার করে নেওয়া হবে, এবং তা ওমানের সাথে ভাগ করে নেওয়া হবে,

৭।  উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সেনা সরাতে হবে আমেরিকাকে

৮। সামরিক সংঘাতে ইরানের যা ক্ষতি হয়েছে, সেই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে

৯। রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে যা প্রস্তাব পাশ করানো হয়েছে সব খারিজ করতে হবে

১০। তাদের হাতে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে নাক গলানো যাবে না এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থায় তাদের বিরুদ্ধে পাশ করানো প্রস্তাব খারিজ করতে হবে।

ভাবা হয়েছিল, এগুলো আমেরিকা কোনোদিনই মানতে পারবে না। কারণ এগুলো মেনে নেওয়া  মানে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে আমেরিকার দাদাগিরি অনেকটাই কমে যাবে। আর ইরান একছত্র বাদশা হয়ে উঠবে।

কিন্তু দেখা গেল শেষ পর্যন্ত, আমেরিকাকেই ব্যাকফুটে সরতে হল, আর ঘোষণা করতে হল ১৪ দিনের সিজফায়ার।

কিন্তু, কেন এই অসম্মান হওয়া মেনে নিল আমেরিকা? এর পেছনে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আর আমেরিকার মধ্যে হওয়া ৪০ বছরের পুরানো একটি পেট্রো-ডলার চুক্তি। এই চুক্তির অধীনে সৌদি আরবকে শুধুমাত্র ডলারের বিনিময়ে পেট্রোল বিক্রি করতে হবে। আর এই চুক্তিতে বর্তমানে শুধু সৌদি আরব নয় জড়িয়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশও। আর পরিবর্তে এই দেশগুলিকে নিরাপত্তা দেওয়ার সংকল্প করেছে আমেরিকা।

আর যদি আমেরিকার বিরুদ্ধে ইরান এই যুদ্ধ জিতে যেত, কারণ ধীরে ধীরে এই যুদ্ধে আমেরিকারই ক্ষতিই বাড়ছে। অর্থাৎ, এই যুদ্ধে ইরান জিতে গেলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশে একছত্র বাদশা হয়ে উঠতো ইরান। ইরানের বশ্যতা স্বীকার করতে হত অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিকে। আর তখন পেট্রো-ডলার চুক্তি বাদ দিয়ে অন্য যে কোনও কারেন্সিতে তেল বিক্রি করতে হত তাদেরকে। ফলে মার খেত ডলার।

আর আমেরিকা সবকিছু সহ্য করলেও অর্থনীতির ধাক্কা সামলাতে পারবে না। কারণ তারা ইতিমধ্যেই ৩৮ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণে ডুবে রয়েছে। আরও টাকার জন্য যদি তারা ঋণ নিতে যায়, তাদের লাগবে অর্থনৈতিক ক্ষমতা। যেটা পেট্রোডলার চুক্তি ঘেঁটে গেলে একেবারেই বিফলে চলে যাবে। আর ধ্বসে যাবে আমেরিকার অর্থনৈতিক ভীত।

আর অন্যদিকে আমেরিকায় ট্রাম্পের বিরোধিতা ক্রমশ বাড়ছিল, তাঁকে হঠাৎ করে ইমপিচমেন্ট না করে দেওয়া হয় – সেই ভ্যেই ট্রাম্প এই সিজফায়ার করতে বাধ্য হয়।

ফলে এই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে থাকলেও হবে, আর উপায় নেই আমেরিকার কাছে।

তবে, এবার এই যুদ্ধবিরতি মেনে নিচ্ছে না ইজরায়েল। কারণ তাদের দাবী – আগে বলা হয়েছিল ইরানের নিউক্লিয়ার সরঞ্জাম হটানো হবে, ব্যালিসটীক মিসাইল ক্ষমতা কমানো হবে। কিন্তু, আমেরিকার তরফ থেকে যে ১০ পয়েন্ট মানা হয়েছে, তাতে এর কোনটাই কমানোর কথা নেই। আর তাই ইজরায়েলে এটাকে আমেরিকার আত্মসমর্পণ হিসাবে দেখছে।

আর তাই এবার, সিজফায়ার ঘোষণা হওয়ার ২৪ ঘণ্টা আগেই, ৮ই এপ্রিল রাতেই ইজরায়েল ফের হামলা শুরু করে লেবাননের ওপরে। যার ফলে মৃত্যু হয় ২৫০ জন নাগরিকের। ফলত, ইরান ফের হুমকি দিয়েছে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার, এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করার।

এখন দেখার এই সিজফায়ার কী আর টিকবে? নাকি ফের শুরু হবে যুদ্ধ? এই নিয়ে আপনাদের কী মতামত জানাতে ভুলবেন না কমেন্ট করে।

Leave a Comment