=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

এই ৫ জায়গায় নেই সাপের অস্তিত্ব, কারণ জানেন?

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সাপকে (Snake) ভয় পায় না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন। কারণ পৃথিবীর প্রায় সব জায়গাতেই সাপ রয়েছে। তবে সব সাপ যে বিষধর তা কিন্তু নয়, বিভিন্ন পরিবেশে বিভিন্ন রকমের সাপ (Snake Facts) দেখা যায়। মরুভূমি এবং রেইনফরেস্টে ভিন্ন সাপ রয়েছে। আসলে সবটাই ভৌগোলিক পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু জানেন কি, বিশ্বে এমন কয়েকটি দেশ ও অঞ্চল আছে যেখানে সাপের কোনো অস্তিত্বই নেই (Snake Free Country)? অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই? হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন, বিশ্বে এমন কয়েকটি দেশ রয়েছে যেখানে সাপ একদমই দেখা যায় না। চলুন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।

নিউজিল্যান্ড

নিউজিল্যান্ড হল পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত দেশ যেখানে সাপ দেখা যায় না। প্রায় ৮ কোটি বছর আগে এই দ্বীপপুঞ্জ মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। তার উপর ভৌগলিক দিক থেকে নিউজিল্যান্ডের সব দিক মহাসাগরে পরিপূর্ণ। আর এই চারদিকের বিশাল সমুদ্রের কারণে কোনও স্থল সাপ স্বাভাবিকভাবে সেখানে প্রবেশ করতে পারেনি। তবে কালে-ভদ্রে হাতে গোনা সামুদ্রিক সাপের দেখা মেলে। এখানে সরকারি নিয়ম আছে যে নিউজিল্যান্ডে সাপ আমদানি করা নিষিদ্ধ। কারণ, সেখানে সাপ ঢুকলে স্থানীয় পাখি, টিকটিকি ও অন্যান্য প্রাণীর ওপর ভয়াবহ প্রভাব পড়তে পারে।

আয়ারল্যান্ড

শুধু নিউজিল্যান্ড নয়, আয়ারল্যান্ডও এমন একটি দেশ, যেখানে সাপের দেখা পাওয়া যায় না। আর তার মূল কারণ হল ঠাণ্ড। বলা হয়, এই দেশে প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে সাপ পাওয়া যায় না। এদিকে সাপের একটু গরম আবহাওয়া প্রয়োজন। যদিও চিড়িয়াখানায় এবং পোশ্য হিসেবে হাতে গোনা কিছু কিছু সাপ রয়েছে। তবে প্রাকৃতিক ভাবে এখানে সাপ থাকে না। অন্যদিকে এই সাপ না থাকার পিছনে এক পৌরাণিক গল্প আছে। সেন্ট প্যাট্রিকের গল্প অনুসারে, খ্রিস্ট ধর্মকে রক্ষা করতে গিয়ে সেন্ট প্যাট্রিক একবার ৪০ দিন না খেয়ে আয়ারল্যান্ডের সব সাপকে ছুঁড়ে সমুদ্রে ফেলে দিয়েছিলেন। তারপর থেকে এখানে সাপ পাওয়া যায় না।

গ্রিনল্যান্ড

নামে গ্রিনল্যান্ড হলেও মহাসাগরে ঘিরে থাকা এই দেশেও সাপের দেখা পাওয়া যায় না। কারণ বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডের অধিকাংশই বরফে ঢাকা। শীতকাল দীর্ঘমেয়াদী হওয়ায় সূর্যের আলোও খুব কম পড়ে। আর সেই আবহাওয়ায় সাপেদের বংশ বিস্তার করা খুবই কঠিন। তবে অনুমতি নিয়ে অনেকেই পোষ্য হিসেবে এখানে সাপ রাখেন।

অ্যান্টার্কটিকা

অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর একমাত্র মহাদেশ যেখানে কোনও স্থানীয় সরীসৃপই নেই। কারণ এখানে বছরের অধিকাংশ সময়ই তাপমাত্রা হিমাঙ্কের বহু নিচে থাকে। বসবাসযোগ্য নয় এই স্থান। এমন পরিবেশে সাপ তো দূরের কথা, অধিকাংশ সরীসৃপের পক্ষেই বেঁচে থাকা অসম্ভব।

আরও পড়ুন: ভারতে প্রথম কোথায় এসেছিল বিদ্যুৎ? জানলে অবাক হবেন

হাওয়াই

অ্যান্টার্কটিকার পর বিশ্বের সবচেয়ে সাপ-মুক্ত অঞ্চল হল হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ। ভৌগলিক কারণে এই দ্বীপপুঞ্জে সাপের প্রবেশ করা খুব কঠিন। কারণ প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত এই দ্বীপ। এছাড়াও এখানে সাপ যাতে কেউ আনতে না পারে তার জন্য সেখানে সাপ রাখা বা আমদানি করার ওপরও কঠোর আইন রয়েছে। মূলত দ্বীপের বাস্তুতন্ত্র রক্ষার্থে এই ব্যবস্থা। তবে মাঝে মাঝে সমুদ্রের সাপ উপকূলীয় জলে দেখা গেলেও তারা স্থলভাগে বসতি গড়তে পারে না।

Leave a Comment