=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

কর্মীদের ঋণ নিয়ে বড় ঘোষণা, গ্যারেন্টার হবে খোদ রাজ্য সরকার

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিরাট বড় সুখবর অপেক্ষা করছে বাংলার সরকারি কর্মীদের জন্য। এবার থেকে জরুরি প্রয়োজনে ব্যাঙ্ক থেকে অনায়াসেই সকলে ঋণ (Loan) নিতে সক্ষম হবেন। সেক্ষেত্রে গ্যারেন্টার হবে খোদ পশ্চিমবঙ্গ সরকার। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। নতুন ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল স্যালারি অ্যাডভান্স স্কিম’-এর আওতায় রিজার্ভ ব্যাংক নিয়ন্ত্রিত ব্যাঙ্ক ও নন-ব্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল কর্পোরেশন (NBFC) থেকে ঋণের ব্যবস্থা করা হবে। এ ক্ষেত্রে কার্যত গ্যারান্টার হিসেবে থাকবে রাজ্য সরকার। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই অর্থদপ্তর আগ্রহপত্র বা ‘এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট’ আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের জন্য বড় সুখবর!

জানা গিয়েছে, আপাতত সরকারি দফতরের গ্রুপ A, B, C ও D শ্রেণির সেই কর্মীরা এই সুবিধা পাবেন, যাঁদের বেতন ট্রেজারি বা পে অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসের মাধ্যমে HRMS/IFMS পোর্টাল থেকে হয়। চিকিৎসা, পড়াশোনা বা অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে হঠাৎ টাকার দরকার হলে অনেক কর্মীকে বেশি সুদে ঋণ নিতে হয়। তাঁদের এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতেই নতুন প্রকল্পটি চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পুরো ঋণপ্রক্রিয়া IFMS পোর্টালের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। ঋণ অনুমোদনের পর দ্রুত কর্মীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়বে। পরবর্তীতে কর্মীর বেতন থেকে কিস্তির টাকা কেটে ঋণ পরিশোধ করা হবে। আগামী দিনে অন্যান্য শ্রেণির সরকারি কর্মী ও সরকারি সংস্থার কর্মীদেরও এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘সুপ্রিম কোর্টের কাছে হেরেছি, বিজেপির কাছে নয়’ অভিষেকের নিশানায় এবার শীর্ষ আদালত

কীভাবে ঋণ মিলবে?

অর্থদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন স্কিমে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি—দুই ধরনের ঋণ দেওয়া হবে। ঋণের পরিমাণ নির্ভর করবে কর্মীর বেতনের উপর। কর্মীরা তাঁদের বেতনের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। এই ঋণ ৬০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। ঋণের জন্য কোনও সুদ দিতে হবে না, তবে ১ শতাংশ প্রসেসিং ফি দিতে হবে। এই ঋণ ২ থেকে ৬০ মাসের মধ্যে পরিশোধ করা যাবে। ঋণের সুদের হার বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। ঋণ নেওয়ার সময় তা জানা যাবে। মাসিক EMI কর্মীর বেতনের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ হতে পারবে।

সরকারের কাছে অন্য কোনও ঋণ থাকলে, তার কিস্তিও হিসাবের মধ্যে ধরা হবে। কর্মীরা তাঁদের মাসিক বেতনের ৩০ গুণ পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। আসলে শুভেন্দু আধিকারিক সরকার ‘পশ্চিমবঙ্গ বেতন অগ্রিম প্রকল্প’ চালু করেছে, যা কর্মচারীদের স্বল্পমেয়াদী এবং একাধিক মাসের বেতন অগ্রিম পাওয়ার জন্য একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম প্রদান করছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা এখন চিকিৎসা খরচ, সন্তানদের শিক্ষা এবং অপ্রত্যাশিত গৃহস্থালি ব্যয় সহ জরুরি প্রয়োজন মেটাতে বেতন অগ্রিম গ্রহণ করতে পারবেন।

রাজ্য অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তি প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করে এবং বাহ্যিক উৎস থেকে উচ্চ সুদের ঋণের উপর নির্ভরতা কমায়। এটি গ্রুপ ‘এ’ থেকে ‘ডি’ এবং সমতুল্য বিভাগের নিয়মিত সরকারি কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করবে। এই প্রকল্পের আওতায় স্বল্পমেয়াদী ও বহু-মাসিক অগ্রিম প্রদান করা হবে। স্বল্পমেয়াদী সুবিধার অধীনে, কর্মচারীরা জরুরি আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে তাদের প্রাপ্য মাসিক বেতনের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত গ্রহণ করতে পারবেন।

বাইক, স্কুটার কেনার জন্য অগ্রিম টাকার সীমা বৃদ্ধি

শুধু তাই নয়, রাজ্য সরকার সম্প্রতি মোটরসাইকেল, স্কুটার এবং ইলেকট্রিক টু-হুইলার কেনার জন্য অগ্রিম ঋণের আর্থিক সীমা বাড়িয়েছে। কর্মচারীরা এখন ১.২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। অনুমোদিত ঋণের পরিমাণ হবে তিনটি অঙ্কের মধ্যে সর্বনিম্নটি: ১.২০ লক্ষ টাকা, পাঁচ মাসের মূল বেতন অথবা যানটির প্রত্যাশিত ক্রয়মূল্য।

Leave a Comment