=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

জমিকে বাস্তুতে রূপান্তর করার দুর্দান্ত সুযোগ, স্বীকৃতি দেবে নবান্ন, কীভাবে?

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ কৃষি বা শালি জমিতে (Land) বাড়ি তৈরি হলেও সরকারি নথিতে এখনও জমির চরিত্র কৃষি বা শালি হিসেবেই রয়ে গিয়েছে। বিশেষত শহরঘেঁষা পঞ্চায়েত এলাকায় এমন ঘটনা বেশি। জমির চরিত্র পরিবর্তনের জন্য আগে আবেদন না করেই বাড়ি তৈরি হওয়ায় সম্পত্তি কেনাবেচা এবং ব্যাংক ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ছেন মালিকরা। এবার এই ধরনের জমির চরিত্র বদলের ছাড়পত্র দিতে চলেছে নবান্ন (Nabanna)। ‘পোস্ট ফ্যাক্টো কনভার্সন’-এর মাধ্যমে সরকারি নথিতে কৃষি বা শালি জমিকে বাস্তু, কারখানা-সহ উপযুক্ত শ্রেণিতে পরিবর্তনের সুযোগ মিলবে।

জমি নিয়ে বড় বার্তা নবান্নের

নবান্ন সূত্রে খবর, এতদিন ২০১৭ সালের ৭ নভেম্বর পর্যন্ত পোস্ট ফ্যাক্টো কনভার্সনের অনুমতি ছিল। বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে জমির চরিত্র বাস্তু হওয়া বাধ্যতামূলক হলেও, সরকারি অনুমতি ছাড়াই কৃষি বা শালি জমিতে বহু বাড়ি তৈরি হয়েছে। ২০১৭ সালের ৭ নভেম্বরের পরেও এমন জমির সংখ্যা হাজার হাজার হওয়ায় নিয়ম শিথিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত জমির চরিত্র পরিবর্তন না করেই নির্মাণ হয়ে থাকলে পোস্ট ফ্যাক্টো কনভার্সনের সুযোগ মিলবে। ইতিমধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত খসড়া প্রকাশ করে ১৫ দিনের মধ্যে মতামত চেয়েছে সরকার। নবান্ন সূত্রের খবর, আগামী মাসের শুরুতেই চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে।

গুনতে হবে ফি

তবে পোস্ট ফ্যাক্টো কনভার্সনের জন্য আগের মতোই ফি দিতে হবে। সেই ফি বাড়বে কি না, তা নিয়ে নজর রয়েছে। পুকুর, জলাশয় বা জলাশয়যুক্ত জমির চরিত্র পরিবর্তনে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। রাজ্যের এক পদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, ভূমি সংস্কার আইন অনুযায়ী ১৯৮৫ সালের আগে কোনও পুকুর বা জলাশয় ভরাট করা হয়েছিল—এমন প্রমাণ থাকলেই কেবল জমির চরিত্র বদলের অনুমতি মিলতে পারে।

আরও পড়ুনঃ জেলায় প্রথম দক্ষিণের জনপ্রিয় মাস্কমেলন চাষ, ব্যাপক লাভের মুখ দেখলেন মালদার কৃষক

এদিকে, মিউটেশন ও কনভার্সন ব্যবস্থায় আরও একাধিক সংস্কারের পরিকল্পনা করছে রাজ্য। একটি নির্দিষ্ট আয়তন পর্যন্ত জমির চরিত্র বদল বা কনভার্সনের নিয়ম তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করা হলেও অর্থ দপ্তর তা প্রাথমিকভাবে খারিজ করেছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী দিনে এই প্রস্তাব কার্যকর হয় কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে।

Leave a Comment