প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ট্রেনে তো অনেকেই চাপেন, কিন্তু ট্রেনের পরিকাঠামোতে (Train Structure Facts) এমন কিছু বৈশিষ্ট্য আছে যা আমাদের অনেকের কাছেই অজানা। তবে ট্রেনের এই বৈশিষ্ট্যগুলোর (GK) প্রত্যেকটির পিছনেই কোনও না কোনো প্রযুক্তি বা বিশেষত্ব আছে। ভালো করে লক্ষ্য করে দেখবেন যে ট্রেনের ছাদে ঢাকনার মতো কয়েকটা কাঠামো (Train Roof Design Secret) থাকে। এটি কিন্তু সৌন্দর্যের জন্য করা হয়নি, এর পিছনে রয়েছে একাধিক কারণ, যা যাত্রীদের যাতায়াত প্রাণ বাঁচাতে সাহায্য করে। চলুন আমাদের আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।
ট্রেনের ছাদে কেন ফাঁকা অংশ থাকে?
ভ্রমণকারীদের কাছে ট্রেন হল সবচেয়ে আরামদায়ক এবং সাশ্রয়ী যাতায়াত মাধ্যম। খুব সহজেই টিকিট কেটেই বিনা পরিশ্রমে যাতায়াত করা যায়। কিন্তু প্রতিটা ট্রেনের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। ছাদগুলো সামান্য বাঁকানো থাকে এবং ঢাকনার মতো কয়েকটা কাঠামো থাকে , সে দ্রুতগতির ট্রেন হোক বা মালবাহী ট্রেন। কিন্তু এই নকশার পেছনের কারণ কী তা অনেকেই জানেন না। আসলে এটি ট্রেনের বায়ু প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ট্রেনের কামরার ভিতরে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করে থাকে।
ট্রেনের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ
ভালো করে লক্ষ্য করে দেখবেন কোনও কোনও ট্রেনের বগিতে জাল দেওয়া ছাদ থাকে, আবার কোনওটিতে ছিদ্রযুক্ত প্লেট। এই উভয় ডিজাইনই কোচের ভিতর থেকে গরম বাতাস এবং আর্দ্রতা বের করে দিতে সাহায্য করে। গরম বাতাস যখন উপরের দিকে উঠে যায়, তখন ট্রেনের ফাঁকা জায়গা বা জালের মতো অংশগুলি দিয়ে বেরিয়ে যেতে বেশ সক্ষম হয়। এবং ট্রেনের কামরা অতিরিক্ত গরম হয় না।
আরও পড়ুন: জানেন পায়ের পাতায় রসুন ঘষলেই মুখে স্বাদ পাওয়া যায়? রইল বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
বায়ু চলাচলে বেশ সক্ষম
ট্রেনের ছাদে এই বিশেষ ঢাকনা না থাকলে যাত্রীদের পক্ষে প্রবল গরমে, ভিড়ে ঠাসা ট্রেনে যাতায়াত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ত। কারণ অতিরিক্ত গরম তাপ যেমন উপরের ঢাকনা দিয়ে বেরিয়ে যায় ঠিক তেমনই আবার কোচের ভিতরে একটি জাল ছাদও রয়েছে যা বায়ু চলাচলে সাহায্য করে। যার দরুন যাত্রীদের স্বাস প্রশ্বাস নিতেও সমস্যা হয় না। তাজা বায়ু প্রবেশ করে। যাত্রীরা সহজেই অক্সিজেন নিতে পারেন।