বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: নিটের (UG NEET) প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে গর্জে উঠেছিল ভারতীয় যুবসমাজ। জেনজি আন্দোলনের মুখে শেষমেষ পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। সেই ঘটনার অন্তত দু সপ্তাহ পর এবার শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সরে যাওয়ার আসল কারণ ব্যাখ্যা করলেন তিনি। তাহলে কি জেনজি আন্দোলনের জন্য পদত্যাগ করেননি, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী? ইস্তফার নেপথ্যে কি রয়েছে কোনও অন্য কারণ? প্রকাশ্যে এল সব।
কেন পদত্যাগ করেছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান?
গতকাল অর্থাৎ শনিবার, ভুবনেশ্বরের একটি বেসরকারি কলেজে আমন্ত্রিত ছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেশের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “ভারতে প্রতিবছর অন্তত দুই কোটি শিশুর জন্ম হয়। গত 10 বছরে 20 কোটি শিশুর জন্ম হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেকের আশা-আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। তাঁরাই ভারতকে বিশ্বগুরু বানাবে।” এদিন বিজেপি নেতা একেবারে খোলাখুলি জানান, তাঁর কাছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রীর চেয়ার গুরুত্বপূর্ণ ছিল না!
ধর্মেন্দ্র প্রধানের কথায়, “জেনজিরা আমাদেরই সন্তান। তবে তরুণ প্রজন্মকে কেউ বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে। ওরাই আমাদের আগামীর পথ দেখাবে। শিক্ষামন্ত্রী পদটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।” ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, তিনি দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন, আর শিক্ষামন্ত্রীর পদ আগলে রাখবেন না। তাই প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে নিজের ইস্তফা পত্র জমা দিয়ে আসেন বিজেপি নেতা। এক কথায়, প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রীর বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে বোঝা যাচ্ছে, দেশের তরুণ প্রজন্মের কথা চিন্তা করেই শিক্ষা মন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি।
অবশ্যই পড়ুন: ৮ নতুন বিচারপতি পেল কলকাতা হাইকোর্ট, রাষ্ট্রপতির অনুমতির ১২ ঘণ্টার মধ্যেই হল কাজ
উল্লেখ্য, নিট সহ দেশজুড়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া নিয়ে পথে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। যন্তর মন্তরে আরশোলাদের অনশনে শামিল হয়েছিলেন দেশের নানান প্রান্তের পড়ুয়ারা। পরবর্তীতে সেই আন্দোলনের সমর্থনে অনশন করার সিদ্ধান্ত নেন লাদাখের বিশিষ্ট বিজ্ঞানী তথা সমাজসেবক সোনাম ওয়াংচুক, আর তারপরেই বড় আকার ধারণ করে আন্দোলন।