=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ঠিক যেন ‘মিনি গোয়া’, নির্জনে পুজোর ছুটি কাটাতে ঘুরে আসুন ‘সোনাপুর সমুদ্র সৈকত’

সহেলি মিত্র, কলকাতা: আপনি কি জানেন, কলকাতার খুব কাছেই রয়েছে এমন এক সমুদ্রসৈকত যাকে মিনি গোয়া বললে ভুল হবে না? হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। জায়গাটি এতটাই সুন্দর যে আপনি চোখ ফেরাতে পারবেন না। যারা প্রকৃত সমুদ্রপ্রেমী, তাঁদের একবার হলেও সোনাপুর সমুদ্রসৈকত (Sonapur Sea Beach) ঘুরে আসা উচিৎ। আজকের এই আর্টিকেলে আলোচনা হবে একদম নির্জন এবং অজানা সোনাপুর সমুদ্রসৈকত নিয়ে।

নির্জনে ছুটি কাটাতে ঘুরে আসুন ‘সোনাপুর সমুদ্রসৈকত’

আপনিও যদি একটু নিরিবিলিতে ঘুরতে যাওয়ার জন্য নতুন জায়গার সন্ধান করে থাকেন তাহলে এই সোনাপুর আপনাকে হতাশ করবে না। হাতে দুদিনের ছুটি নিয়ে এখানে ঘুরতে যেতে পারেন। এখানে আপনি দূর দূর অবধি কাউকে খুঁজে পাবেন না, এতটাই নির্জন এবং ভার্জিন সমুদ্র সৈকত এটি। ওড়িশার গঞ্জাম জেলায় ওড়িশা-অন্ধ্রপ্রদেশ সীমান্তের কাছে অবস্থিত নিরিবিলি ও মনোরম সোনাপুর সমুদ্র সৈকত। ব্রহ্মপুর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরের এই সৈকতে নিজস্ব বা ভাড়া গাড়িতে পৌঁছানো যায়। মানুষের কোলাহল থেকে দূরে থাকায় এটিকে অনেকেই ‘ভার্জিন বিচ’ বলে থাকেন।

আরও পড়ুনঃ পশ্চিম মেদিনীপুরে উদ্ধার সাদা সাপ, চোখ কপালে বিশেষজ্ঞদের

এখানেই বাহুদা নদী বঙ্গোপসাগরে এসে মিশেছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এই সৈকতের পাশে রয়েছে বসার জন্য সুন্দর ছাউনি ও পোশাক বদলের ব্যবস্থা। প্রবেশমূল্য ৩০ টাকা। থাকার জন্য রয়েছে ওড়িশা সরকারের ইকো-ট্যুরিজম রিসর্ট। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হল শীতকালে এখানে অলিভ রিডলি কচ্ছপ প্রজননের জন্য আসে। স্থানীয়রাও ঝাউবনের পাশে পিকনিক করতে ভিড় করেন। নীলাভ সমুদ্রের জল স্নানের জন্যও উপযুক্ত। তাই নির্জন ও শান্ত পরিবেশে সমুদ্রের ধারে সময় কাটাতে চাইলে সোনাপুর হতে পারে সুন্দর একটি গন্তব্য।

কীভাবে যাবেন?

এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন এত সুন্দর জায়গায় কীভাবে যাবেন? ট্রেনে গেলে হাওড়া বা শালিমার থেকে চেন্নাইগামী যেকোনো ট্রেনে চেপে ব্রহ্মপুর স্টেশনে নামতে হবে। এরপর সেখান থেকে সোনাপুরের দূরত্ব প্রায় ৩০-৩৫ কিমি। অটো বা গাড়ি ভাড়া করে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায়।

Leave a Comment