=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ধার করে ক্রিকেট শিখিয়েছেন বাবা, গরিব ট্রাকচালকের ছেলেকে কোটিপতি বানাল RCB

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বহু ছেলের ভাগ্য বদলেছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ(Indian Premier League)। প্রত্যেক বছরই বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে দেখা যায় নতুন নতুন মুখেদের (RCB Cricketer)। এবারেও তার অন্যথা হয়নি। এবারে ইন্ডিয়ার প্রিমিয়ার লিগে জায়গা পেয়েছেন একাধিক নতুন ক্রিকেটার। তাঁদের মধ্যে কারও বাবা পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি, কারও আবার ট্রাক চালক। না বললেই নয়, গতবারের চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে জায়গা হওয়া 5 কোটি 20 লাখের খেলোয়াড় মধ্যপ্রদেশের মঙ্গেশ যাদব অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের ছেলে। তাঁর অতীত জানলে চোখের কোণে জল গড়াবে।

মঙ্গেশের অতীত ঘাটলে কষ্ট হবে!

মধ্যপ্রদেশের বোরগাঁও গ্রামে বেড়ে ওঠা মঙ্গেশের। বাবা পেশায় একজন ট্রাক চালক। নিজের কাজের প্রতি যথেষ্ট দায়িত্ববান তিনি। প্রতিদিন ভোর ভোর উঠে বেরিয়ে যেতে হয় কাজে। দিনভর হাইওয়েতে স্টিয়ারিং এ হাত রেখেই কেটে যায় দিন। সেই পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে নিজের সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করেছিলেন RCB এর নতুন সদস্য মঙ্গেশ। ছেলেবেলা থেকেই ক্রিকেটের প্রতি একটা আলাদা টান ছিল তাঁর। ছেলের স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি বাবা মাও।

সবচেয়ে বড় কথা, ছেলে ক্রিকেট খেলতে চায় জেনে নিজের ছেলের স্বপ্নকে শান দিতে আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে টাকা ধার করতেও পিছপা হননি মঙ্গেশের বাবা। নিতে হয়েছে লোনও। ভারতীয় ক্রিকেটারের বাবা রাম আওধ যাদব লোন নিয়ে এবং অন্যান্য আত্মীয়দের কাছ থেকে ধার করে যে টাকা পেতেন তা দিয়ে চলতো ছেলের ক্রিকেটের খরচা। একটা সময় গিয়েছে ছেলের জন্য গোটা রাত ঘুমাতে পারেননি তিনি।

যদিও ক্রিকেটের আগে জেলায় জেলায় টেনিস বল টুর্নামেন্ট খেলে বেড়াতেন মঙ্গেশ। সেইসব টুর্নামেন্ট থেকে যা আয় হতো তুলে দিতেন পরিবারের হাতে। যদিও এর পাশাপাশি ক্রিকেটকে আলাদা করে সময় দিয়েছিলেন তিনি। তবে ক্রিকেটে পা রাখার পেছনে বড় অবদান রয়েছে মঙ্গশের বন্ধুর। আজ থেকে 16 বছর আগে বন্ধুর সাহায্যেই নয়ডায় পাড়ি দেন তিনি। সেখানে ওয়ান্ডার ক্রিকেট ক্লাবে যোগদান করেন মঙ্গেশ। আর সেখান থেকেই জীবনের চাকা ঘুরেছিল এই খেলোয়াড়ের।

অবশ্যই পড়ুন: IPL 2026-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করে দিল BCCI, কারণ জানলে গর্ব হবে!

ক্লাবের হয়ে ক্রিকেটে নিজের দক্ষতা দেখিয়েছিলেন মঙ্গেশ। মধ্যপ্রদেশের ছেলের ক্রিকেট প্রতিভা চিনতে ভুল করেননি ক্লাব কোচ ফুলচাঁদ শর্মাও। পরবর্তীতে তাঁর সুপারিশেই হোস্টেল খরচ মুকুব হয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেটারের। সেই উপকার অবশ্য ভুলে যাননি বেঙ্গালুরুর নতুন তারকা। বলাই বাহুল্য, গত বছর মধ্যপ্রদেশ টি-টোয়েন্টি লিগে গোয়ালিয়র চিতার হয়ে 6 ম্যাচে 14টি উইকেট তুলেছিলেন তিনি। হয়েছিলেন প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট। সেখান থেকে সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে জায়গা করে নেন এই খেলোয়াড়। আর তারপরেই খুলে যায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের দরজা।

যদিও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে জায়গা করার আগে দীনেশ কার্তিকের কাছে পরীক্ষা দিতে হয়েছিল তাঁকে। এক কথায় সমস্ত চড়াই উতরাই পেরিয়ে অবশেষে RCB দলে নিজের জায়গা খুঁজে নিয়েছেন মঙ্গেশ। এবার বল হাতে জাতীয় দলের দরজা খোলার পাশাপাশি নিজের ভাগ্যের চাকাটাও জোরে ঘোরাতে হবে এই খেলোয়াড়কে।

Leave a Comment