=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

পেট্রোল বা বিদ্যুতে নয়, জলে চলবে বাইক! প্রস্তুত ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন মোটরসাইকেল

অনন্যা সরকার, পুনে: ডিজেল, পেট্রোল ও বিদ্যুতের পর এবার মোটরবাইক চলছে হাইড্রোজেনে! পুনের সত্যজিৎ ফাড়কে এবং সুপ্রিয়া পট্টবর্ধন একটি অত্যাধুনিক হাইড্রোজেন-চালিত বাইক (Hydrogen Motorbike) তৈরি করেছেন, যা মাত্র ২ মিনিটের মতো জ্বালানি ভরার সময় নিয়ে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে। এই ‘মেড-ইন-ইন্ডিয়া’ (Made-in-India) উদ্ভাবনটি গতিশীলতা ও যানবাহনের ভবিষ্যৎ কেমন হতে চলেছে, তারই ইঙ্গিত বহন করে। পুনের বাসিন্দা সত্যজিৎ অ্যাডভান্সড এনার্জি সিস্টেম সর্ম্পকে ১৫ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেগে পড়েন পরিবেশ-বান্ধব জ্বালানিতে চলা যানবাহনের বিকাশে। সঙ্গে নেন স্ত্রী সুপ্রিয়াকে, যাঁর ইঞ্জিনিয়ারিং ও ব্যবসা পরিচালনা – উভয় ক্ষেত্রেই দক্ষতা রয়েছে। বর্তমানে তাঁরা এই উদ্ভাবনকে আরও বিকশিত করার দিকে মনোনিবেশ করেছেন। কীভাবে কাজ করে এই হাইড্রোজেন-চালিত বাইক, আসুন জেনে নেওয়া যাক।

আরও পড়ুনঃ ‘বিউটি উইথ ব্রেইন’ তিনবছরে তিন বার UPSC ক্র্যাক, চতুর্থবারের প্রচেষ্টায় IAS হলেন অর্পিতা

‘মেড-ইন-ইন্ডিয়া’ হাইড্রোজেন মোটরবাইক বানালো পুনের সংস্থা

আইআইটি রুরকির (IIT Roorkee) প্রাক্তন ছাত্র এবং ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রিধারী সত্যজিৎ ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি ও প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। ‘এনার্জি স্টোরেজ’ নিয়ে তাঁর গবেষণার সুবাদে ২০২৩ সালে দুটি এবং ২০২৪ সালে একটি পেটেন্টও দাখিল করেন। অপরদিকে, তাঁর স্ত্রী সুপ্রিয়া পুনের এমআইটি (MIT) থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং জার্মানির ম্যানহাইম বিজনেস স্কুল থেকে এমবিএ (MBA) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর সারা বিশ্বের বিভিন্ন মার্কেটে সেলস, ম্যানেজমেন্ট এবং স্ট্র্যাটেজি নির্ধারণে এক দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই স্বামী-স্ত্রী জুটি একসঙ্গে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য গ্রিন মোবিলিটির স্বপ্নকে বাস্তবে করে তোলায় ব্রতি হয়েছেন। 

সত্যজিৎ ও সুপ্রিয়া দাবি করেছেন, তাঁদের তৈরি হাইড্রোজেন বাইকটি চলার সময় কোনো ধোঁয়া ও দূষণ ছড়ায় না। বাইকটিতে হাইড্রোজেন গ্যাস জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় সাধারণ পেট্রোল বা সিএনজি-তে চলা মোটরসাইকেলের মতো ধোঁয়ার পরিবর্তে এর এগজস্ট পাইপ দিয়ে জল বের হয়। 

আরও পড়ুন: সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে নারাজ পার্ক স্ট্রিটের সেই ফুটপাতবাসিনী, গেলেন কোথায়?

ওই বাইকটিতে ব্যবহার করা হয়েছে একটি সুরক্ষিত হাইড্রোজেন সিলিন্ডার, যেটিকে পেট্রোলের মতোই মোটামুটি দু’মিনিটে রিফিল করা যায়। এই সিলিন্ডার থেকে হাইড্রোজেন গ্যাস বাইকটির ফুয়েল সেলে পৌঁছে হাওয়ার সাথে মিলিত হয়ে বিদ্যুত তৈরি করে। আর সেই বিদ্যুতেই চলে বাইকের মোটর। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই বাইকটি শুধু দূষণ নিয়ন্ত্রণেই সীমাবদ্ধ নেই, এটি সাধারণ পেট্রোল-চালিত মোটরবাইকের মতোই পারফরম্যান্স ও মাইলেজ দিতে সক্ষম বলেও দাবি করা হচ্ছে।

Leave a Comment