=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

প্রকল্পের টাকায় গরমিল? হিসাব চেয়ে নবান্নকে একাধিক চিঠি কেন্দ্রের

Nabanna

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: প্রশাসন হোক কিংবা রাজনৈতিক কোনো না কোনো কারণে সবসময়ই সংঘাত বাঁধে কেন্দ্র এবং রাজ্যের। প্রকল্প নিয়ে এখনও বরাদ্দ টাকা চাইতে হচ্ছে রাজ্যকে কেন্দ্রের কাছে। চিঠির পর চিঠি দেওয়া হচ্ছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের কাছে, কম বিক্ষোভ হচ্ছে না এই নিয়ে। এমতাবস্থায় নবান্নের (Nabanna) কাছে এল কেন্দ্রের তরফে চিঠি। আর সেখানে প্রকল্পের জন্য রাজ্যকে পাঠানো মাত্র ৫০ হাজার টাকার হিসেব চাইল কেন্দ্র।

অ্যান্টি হিউম্যান ট্রাফিকিং ইউনিট নিয়ে কড়াকড়ি কেন্দ্র

রাজ্যে যেভাবে ক্রাইমের পরিমাণ বাড়ছে, তাতে ছেলে মেয়ে উভয়েরই নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। যৌনপেশায় জোর করে নামানো থেকে ভিক্ষাবৃত্তিতে জোর বা বন্ডেড লেবার দেশজুড়েই বাড়ছে এই প্রবণতা। আর এই বিষয়েই কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য কেন্দ্র রাজ্যের প্রতিটি জেলায় অ্যান্টি হিউম্যান ট্রাফিকিং ইউনিট গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর জন্য কেন্দ্র বরাদ্দ অর্থও দিচ্ছে, যাতে এই টাকায় প্রতিটি ইউনিটে ক্যামেরা, নথি সংগ্রহের জন্য গাড়ি কেনার পাশাপাশি তদন্তকারী অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। পশ্চিমবঙ্গও পেয়েছে সেই বরাদ্দ। কিন্তু তার মধ্যে মাত্র ৫০ হাজার টাকার হিসেব না আসায় রাজ্যকে বারবার চিঠি দিচ্ছে দিল্লি।

৫০ হাজার টাকার হিসেব চেয়ে চিঠি রাজ্যকে

বর্তমান পত্রিকার রিপোর্ট মোতাবেক, ২০২০ সালের মার্চ মাসে কেন্দ্র অ্যান্টি হিউম্যান ট্রাফিকিং ইউনিট গড়ার জন্য ২ কোটি ৯৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পাঠায় রাজ্যকে। প্রতিটি জেলায় নারী ও শিশু পাচার রোধে এই টাকায় ইউনিটও গড়ে তোলা হয়েছে। তারা বিভিন্ন জায়গায় অপারেশন চালিয়ে কাজ করে চলেছে। গ্রেপ্তার হয়েছে একাধিক। পাশাপাশি এই অপরাধ মোকাবিলায় ক্রমাগত ইনপুট সংগ্রহ করে চলেছেন তদন্তকারীরা। এক্ষেত্রে রাজ্যের তরফে কেন্দ্রের থেকে পাওয়া টাকার ২ কোটি ৯৫ লক্ষ ৫০ হাজারের হিসেব জমা দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই। কিন্তু তারপরও বাকি ৫০ হাজার টাকার হিসাব চাইছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

আরও পড়ুন: চাপ কমবে পড়ুয়াদের, উচ্চ মাধ্যমিকের প্রশ্ন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত সংসদের

নবান্ন সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে ৫০ হাজার টাকা খরচের বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার জন্য পরপর ১০টি চিঠি পাঠিয়েছে। রাজ্যের তরফে বারবার জানানো হয়, কাজ হয়ে গিয়েছে। আগামী মাসেই টাকার হিসেব পাঠিয়ে দেবে তারা। কিন্তু তাতেও যেন মনে মানছে না কেন্দ্রের। যদিও এই রিমাইন্ডারকে অনেকেই ভিন্ন চোখে দেখছে। সমালোচকরা মনে করছে, রাজ্যকে চাপে রাখার জন্যই কেন্দ্র বারবার চিঠি পাঠিয়ে যাচ্ছে। আসলে নির্বাচনের আগেই রাজ্য সরকারকে বিপাকে ফেলাই কেন্দ্রের উদ্দেশ্য।

Leave a Comment