=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

প্রেমিক-প্রেমিকার সাথে পালিয়ে যাওয়া নিয়ে বিরাট মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বাড়ি থেকে প্রেমিক-প্রেমিকাদের পালিয়ে যাওয়া নিয়ে এবার বড় মন্তব্য করল দশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court Of India)। এদিন যুগলদের বিরুদ্ধে শিশু যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ আইন বা পকসো আইনের অপব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বি.ভি. নাগরত্না এবং আর. মহাদেবনের বেঞ্চ মন্তব্য করেছে, প্রেমিক এবং প্রেমিকা বা যুগলকে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া থেকে কীভাবে আটকানো যায়? অনেক ক্ষেত্রেই সম্মানের অজুহাত দেখিয়ে অভিভাবকরা ফৌজদারি মামলা করেন। আদালতের প্রশ্ন, পুলিশ কেন শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইনে মামলা করে?

বাড়ি থেকে পালানো প্রেমিক প্রেমিকাদের নিয়ে বড় মন্তব্য

টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূলত শিশুদের যৌন নিপীড়ন এবং শোষণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তৈরি হয়েছিল পকসো আইন। তবে এই ধরনের আইন পালিয়ে যাওয়া যুগলদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না। সম্প্রতি নাবালকদের গোপনীয়তার অধিকার সংক্রান্ত এক মামলায় এবার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বড় রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। দেশের শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, 15 থেকে 18 বছর বয়স অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এই বয়সটা মূলত পরীক্ষা-নিরীক্ষার বয়স। তাই পকসো আইনের অধীনে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কি যুক্তিযুক্ত? পুলিশকে এ বিষয়ে আত্মবিশ্লেষণ করা উচিত বলেই মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তুলেছে, শিশু যৌন নির্যাতনের বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া আইনটি প্রেমিক-প্রেমিকার পালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না বলেই ইঙ্গিত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বলাই বাহুল্য, 2023 সালে কলকাতা হাইকোর্ট একটি বিতর্কিত রায় দিয়েছিল। উচ্চ আদালত বলেছিল, নারীদের সাথে সম্পর্কে জড়ানোর পরিবর্তে পুরুষদের উচিত তাঁদের যৌন আকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণ করা। যদিও 2024 সালে সুপ্রিম কোর্ট এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে দিয়েছিল। পরবর্তীতে আদালত নাবালকদের গোপনীয়তার অধিকারের ভিত্তিতে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে।

অবশ্যই পড়ুন: কলকাতায় চালু হচ্ছে WBTC-র নতুন S11B বাস রুট, জানুন সময়সূচি ও যাত্রাপথ

এই মামলার সূত্রপাত হয়েছিল নাবালিকা এবং 25 বছর বয়সি এক যুবকের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। নাবালিকা মেয়েটি পুলিশের কাছে সে বার নিজের গোপনীয়তার অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ দায়ের করেছিল। আর সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন ছিল, এই ঘটনায় পুলিশের কাছে কি অপহরণের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল? যৌন নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল? বিচারপতির প্রশ্ন ছিল, যদি ভুক্তভোগী প্রেমিকের সঙ্গে থাকতে চায় এবং তাঁদের একটি সন্তান থাকে, আর অভিযোগটি যদি যৌন নির্যাতন বা অপহরণের না হয় তবে কীভাবে পকসো আইনের অধীনে মামলা দায়ের হল?

আদালত আরও বলে, 16 থেকে 18 বছর বয়সি কিশোর কিশোরীরা যদি সম্পর্কে জড়ায় এবং বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় তাহলে বাবা, মা-রা নিজেদের মান সম্মান বাঁচাতে তাঁদের অপরাধী বানিয়ে দেয়! শীর্ষ আদালতের যুক্তি, এক্ষেত্রে পকসো আইনের অপব্যবহার হচ্ছে! এই আইনের অধীনে প্রায়শই কিশোর কিশোরীদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়! যা একেবারে অন্যায্য।

Leave a Comment