=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ফল বা মিষ্টি নয়, এই মন্দিরে প্রসাদ হিসেবে দেওয়া হয় বিড়ি! কীভাবে যাবেন?

সহেলি মিত্র, কলকাতা: আপনি কি জানেন, দেশে এমন একটি মন্দির রয়েছে, যেখানে ভগবানকে প্রণামী হিসেবে বিড়ি উৎসর্গ করা হয়? এমনকি চাইলে আপনি সেই বিড়ি প্রসাদ হিসেবেও গ্রহণ করতে পারবেন! শুনে বিশ্বাস হচ্ছে না তো? কিন্তু এটাই দিনের আলোর মতো সত্যি। আজ বিহারের (Bihar Temple) কৈমুর জেলার ভগবানপুরের পাহাড়ি এলাকায় থাকা মশান বাবার মন্দিরের (Masaan Baba Temple) একটি অদ্ভুত রীতি নিয়ে আলোচনা করা হবে। এমন এক রীতি যা বছরের পর বছর মানুষকে অবাক করে আসছে।

বিহারের এই মন্দিরে বিড়িই হল প্রসাদ!

বিহারের মুসহারওয়া বাবা বা মশান বাবার মন্দিরে ফুল, ফল বা মিষ্টির বদলে দীর্ঘদিনের লোকাচার অনুযায়ী ভক্তরা প্রসাদ হিসেবে বিড়ি অর্পণ করেন। স্থানীয় বিশ্বাস, বিড়ি নিবেদন করে প্রার্থনা করলে যাত্রাপথের বাধা দূর হয় এবং মনোবাসনা পূরণ হয়। প্রায় ১,৪০০ ফুট উচ্চতায় ভভুয়া-অধৌরা সড়কের পাশে অবস্থিত এই মন্দিরে বিহারের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও মধ্যপ্রদেশ থেকেও ভক্তরা আসেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

আরও পড়ুন: গাধার নামে ইস্যু হল নার্সিং সার্টিফিকেট! অনলাইন রেজিস্ট্রেশন নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

বিশেষ করে ট্রাকচালকরা নিরাপদ যাত্রার কামনায় এই মন্দিরে বিড়ি নিবেদন করেন। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক দশক ধরে এই রীতি চলে আসছে। প্রতি সপ্তাহে বিশেষ করে বৃহস্পতিবার ও শনিবার বহু ট্রাকচালক মন্দিরে এসে বিড়ি উৎসর্গ করেন। তাঁদের বিশ্বাস, বিড়ি অর্পণ করলে যাত্রাপথের বিপদ-আপদ দূর হয়। তবে স্থানীয় প্রশাসনের মতে, এটি মূলত লোকবিশ্বাস ও লোকসংস্কৃতির অংশ। তবে এই বিশ্বাসের কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এই বিষয়ে মন্দিরের পুজারি রামেশ্বর পান্ডে জানিয়েছেন, ‘এটা এখন আমাদের বিশ্বাসের অংশ। হাজারো চালক এখানে মানত করে। বিড়ি বাবাই এখন তাদের রক্ষাকর্তা হয়ে উঠেছেন।’

কীভাবে যাবেন?

এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন কলকাতা থেকে এই বিশেষ মন্দিরে কীভাবে যাবেন? আগে হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে সরাসরি ট্রেনে গয়া জংশন যেতে হবে। পূরবী এক্সপ্রেস, দুন এক্সপ্রেস বা শিয়ালদহ-আজমের এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনে গয়া পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৬–৮ ঘণ্টা। গয়া জংশন থেকে মন্দিরটি এক কিলোমিটারেরও কম দূরে, তাই স্থানীয় অটোতে সহজেই সেখানে পৌঁছনো যায়।

Leave a Comment