ফের বিশবাঁও জলে তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর রেল প্রকল্প, থমকে গেল ভাবাদিঘির কাজ

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ভাবাদিঘিতে (Bhabadighi) রেল প্রকল্পের কাজ আবারও থমকে গেল। এই জায়গায় জট যেন কাটতেই চাইছে না। তারকেশ্বর বিষ্ণুপুর রেল প্রকল্পের (Tarakeswar Bishnupur Rail Project) ক্ষেত্রে এই ভাবাদিঘি খুবই গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। বছরের পর বছর ধরে রেলের কাজে গতি এলেও এই জায়গায় এসে থমকে যায়। বারবার স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় রেলকে। এবারেও যার ব্যতিক্রম ঘটল না।

ফের ভাবাদিঘিতে থমকে গেল রেলের কাজ

সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রেল প্রকল্পের কাজ ভাবাদিঘিতে বেশ খানিকটা এগিয়েছে। অন্যান্য দিনের মতো শুক্রবারও ব্রিজ নির্মাণের কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। তবে আচমকাই স্থানীয়রা এসে কাজ থামিয়ে দেন সকলের। আটকে দেওয়া হয় রেলের ট্রাককেও। সকলের মুখে একটাই কথা, ‘আমাদের জায়গায় কাজ করছে অথচ আমাদেরিই টাকা দেয়নি। আমাদের জায়গা না দিলে আবার আন্দোলন করব।’ ব্রিজ নির্মাণের কাজ থমকে গিয়েছে।

বিরাট অভিযোগ গ্রামবাসীর

এদিন দীঘি বাঁচাও আন্দোলনের হেড সুকুমার রায় সহ গ্রামবাসীরা বেশ কয়েকটি আরো দাবি নিয়ে সড়ব হন। তাঁরা জানিয়েছেন, রেল ও গ্রামবাসী উভয়পক্ষ মিলে বসে তাদের দাবি সমাধান করতে না পারলে তারা কাজ শুরুর অনুমতি দেবে না। তবে প্রশ্ন একটাই বিষ্ণুপুর তারকেশ্বর রেলপথ আর কত দশক থমকে থাকবে? আর কত ঝক্কি পোহাতে হবে রেলকে।

আরও পড়ুনঃ ৫ গুন কম মিলতে পারে খাদ্যশস্য, এই রেশন কার্ডে বরাদ্দ কমানোর প্রস্তাব সরকারকে

আন্দোলনরত গ্রামবাসীদের আবারও অভিযোগ, ভাবাদিঘির জমি-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে প্রশাসন, রেল কর্তৃপক্ষ এবং গ্রামবাসীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে যে প্রতিশ্রুতিগুলি দেওয়া হয়েছিল, তার অধিকাংশই এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। তাঁদের অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত সকলেই এখনও ন্যায্য ক্ষতিপূরণ পাননি এবং জমি ও জীবিকার সমস্যা পুরোপুরি মেটানো হয়নি। সেই দাবিতেই কাজ বন্ধ করে প্রতিবাদে সামিল হন স্থানীয়রা। সেই কারণেই তাঁরা আবারও আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি করেন। আপনাদের জানিয়ে রাখি, এই ভাবাদিঘির উপর ব্রিজ নির্মাণ কমপ্লিট হলেই ট্রেন যাবে হাওড়া থেকে সরাসরি ঠাকুর রামকৃষ্ণদেবের বাড়ি কামারপুকুর।

Leave a Comment