=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

বাবার অপমানের জবাব, এবার ISL-এ মাঠ কাঁপাবে হুগলির ছেলে শুভম, জানুন পরিচয়

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: নির্ধারিত সূচি মেনেই শুরু হয়েছে এবছরের ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (Indian Super League)। আর দেশের সবচেয়ে বড় ফুটবল লিগে এবার খেলতে দেখা যাবে বাংলা তথা হুগলির রিষড়ার ছেলে শুভম ভট্টাচার্যকে (Subham Bhattacharya)। মূলত ওড়িশা এফসির হয়ে এ বছর মাঠে নামবেন তিনি। বাবা একসময় খেলেছেন টালিগঞ্জের মতো কলকাতার একাধিক পরিচিত ক্লাবে। তবে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানে খেলার স্বপ্ন পূরণ হয়নি। তাই ছেলেকে বড় মাপের ফুটবলার করে তোলার স্বপ্ন বুকে নিয়ে লড়াই করে গিয়েছিলেন শ্রীকান্ত ভট্টাচার্য। এবার তাঁর মুখ উজ্জ্বল করার পালা ছেলে শুভমের।

লড়াই করে ISL এ শুভম ভট্টাচার্য

20 বছর বয়সী শুভম ভট্টাচার্যের লড়াইটা শুরু হয়েছিল হুগলির রিষড়ার লেনিন ময়দান থেকে। বাবা একজন ফুটবলার হাওয়ায় ছোট থেকেই বাড়িতে খেলাধুলা নিয়ে আলোচনা চলতো। শ্রীকান্ত ভট্টাচার্য অর্থাৎ শুভমের বাবা খেলেছিলেন আরিয়ান, টালিগঞ্জের মতো ক্লাবে। তবে দুই ময়দান প্রধান ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানে সুযোগ হয়নি তাঁর। তাই স্বপ্ন ছিল ছেলেকে একজন বড় মাপের ফুটবলার বানাবেন তিনি। সেখান থেকেই ছেলের জন্য লড়াই শুরু।

বলাই বাহুল্য, মাত্র 11 বছর বয়সে মুম্বই শহরে পাড়ি দিয়েছিলেন শুভম। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের ইয়ং চ্যাম্পে টায়ারের পর সিলেক্ট হয়ে যায় বাংলার ছেলে। তবে ইংরেজি বলতে না পারার কারণে বেশ সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছিল শুভমকে। তবে একটা সময় নিজের প্রতিভা দেখিয়ে এক বছরের উপরের দলে জায়গা করে নিয়েছিনেন হুগলির ছেলে। রিলায়েন্সে স্ট্রাইকার হিসেবে যাত্রা শুরু হলেও কোচেদের পরামর্শ নিয়ে সে হয়ে ওঠে মর্ডান ডিফেন্ডার। এরপর টানা সাত বছর লড়াই করার পর আশার আলো দেখতে পান শুভম।

জানা যায়, বল পায়ে বছরের পর বছর ক্ষমতা দেখানোর পর ইন্ডিয়ান সুপার লিগের বিভিন্ন ক্লাব থেকে অফার পেতে শুরু করেন হুগলির ছেলে। এমনকি এও জানা গিয়েছে, ইস্টবেঙ্গল এবং মহামেডান ক্লাবের তরফেও অফার করা হয়েছিল শুভমকে। তবে বাংলার ছেলে বেছে নিয়েছিলেন ওড়িশা এফসি দলটি। পরবর্তীতে দলে যোগ দিয়েই নর্থইস্টের বিরুদ্ধে ডুরান্ড কাপে অভিষেক করেছিলেন তিনি। তবে খেলতে গিয়ে চোট পাওয়ায় মাঠের বাইরে চলে যেতে হয়েছিল তাঁকে। সেখান থেকে ফিরে ডেভেলপমেন্ট লিগে নিজের ক্ষমতা দেখিয়ে ভারতের অনূর্ধ্ব 23 দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন হুগলির ছেলে শুভম।

আরও পড়ুন: কোন নিয়মে বিমানের ভেতরে ঢুকে অভিজতদের আটক করল পুলিশ? ব্যাখ্যা চাইল এয়ার ইন্ডিয়া

ভারতীয় দলের জার্সিতে মালয়েশিয়া থেকে শুরু করে কাতারে AFC কোয়ালিফায়ার সব ক্ষেত্রেই নিজের জায়গা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন শুভম। এরপর ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শুরু হওয়ার পর প্রথম দিকে জায়গা না পেলেও এক প্লেয়ার চোট পাওয়ায় মাঠে নামেন তিনি। আর নেমেই প্রথম ম্যাচের ডিফেন্ডার হিসেবে গোল করে সকলের নজর কেড়ে নেন তিনি। এবার সেই শুভম মাঠে নামতে চলেছেন ওড়িশা এফসির হয়ে। আগামী 14 তারিখ পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ম্যাচে মাঠ কাঁপাতে পারেন তিনি। আসলে শুভমের ইচ্ছা ইন্ডিয়ান সুপার লিগে দাপট দেখিয়ে কলকাতার জনপ্রিয় দলগুলিতে জায়গা করে নেওয়া। এর মধ্যে দিয়ে আসলে নিজের বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে চান হুগলির ছেলে। দিতে চান সমস্ত অপমানের জবাব।

Leave a Comment