বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে (FIFA World Cup Final) লিওনেল মেসিকে বোতলবন্দী করে রেখেছিল স্পেন। প্রতিপক্ষের প্লেয়ারদের অ্যাটাকে যেতে না দিয়ে নিজেরা ক্রমাগত আক্রমণ শানিয়ে গিয়েছেন লামিল ইয়ামালরা। তবে স্পেনের হয়ে শেষ পর্যন্ত ভাগ্য নির্ধারণী গোলটি করেছিলেন ফেরান তোরেস (Ferran Torres)। এক্সট্রা টাইমের খেলায় একেবারে শেষ মুহূর্তে পৌঁছে স্পেনকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি। অনেকেই হয়তো জানবেন, এই স্প্যানিশ তারকাই স্পেনের হয়ে কিছু বছর আগে কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে খেলে গিয়েছেন।
কলকাতার যুবভারতীতে খেলেছেন মেসির দুঃস্বপ্নের কারিগর
সোমবার মাঝরাতে ফাইনালের মঞ্চে লিওনেল মেসিদের বল পায়ে উঠতেই দেয়নি স্পেন। বরং গোটা ম্যাচে দাপট বজায় রেখে ক্রমাগত গোলমুখী হয়েছিলেন ইয়ামালরা। একেবারে কঠোর পরিশ্রম করে আর্জেন্টিনাকে গোল খাইয়েছে প্রতিপক্ষ দলটি। ফুটবল বিশেষজ্ঞদের দাবি, একেবারে যোগ্য দল হিসেবেই 2026 ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ জিতে গিয়েছে স্পেন। তবে এই জয়ে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য তিনি হলেন ফেরান তোরেস।
অনেকেরই হয়তো মনে থাকবে, 2017 সালের অনূর্ধ্ব 17 ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল স্পেন। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল ইংল্যান্ড। নভি মুম্বইয়ে মালিকে হারিয়ে কলকাতায় ফাইনাল খেলতে এসেছিল স্প্যানিশদের দল। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিলেন তারা। সেখানেই ইংলিশদের কাছে 2-5 গোলে দুরমুশ হয়ে গিয়েছিল স্পেন। আর সেই ম্যাচেই অ্যাটাকিং উইঙ্গার হিসেবে খেলেছিলেন ফেরান। ফাইনালের দুটি গোলই করেছিলেন তিনি। এবার সেই উজ্জ্বল প্রতিভাই আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিল।
অবশ্যই পড়ুন: তালিকায় নেই আর্জেন্টিনার কেউই, গোল্ডেন বল থেকে গ্লাভস পেলেন কারা?
উল্লেখ্য, গোটা ফুটবল বিশ্বকাপে একেবারে প্রথম থেকেই অপ্রতিরোধ্য ছিল আর্জেন্টিনা। তবে সময় যত গড়িয়েছে প্রতিপক্ষের সামনে আর্জেন্টিনার দাপট কমেছে ততই। সেমিফাইনাল পর্যন্ত ম্যাচ জিতলেও আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ এবং অ্যাটাকিং সাইড ছিল বেশ দুর্বল। তা দেখে অনেকেই বুঝে গিয়েছিলেন শক্তিশালী স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে যথেষ্ট ভুগতে হবে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যদের। সেটাই হল।