=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

বিশ্বের শীর্ষ ১০টি ব্যাংকের মধ্যে ৭টিই এই দেশের! তালিকায় ভারত কোথায়?

অনন্যা সরকার, কলকাতা: বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত ব্যাংকিং ম্যাগাজিন ‘দ্য ব্যাঙ্কার’ (The Banker) বিশ্বের ১০০টি বৃহত্তম ব্যাংকের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। সম্পদ বা অ্যাসেটের হিসাবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় চারটি ব্যাঙ্কের (Bank) মালিকানা রয়েছে চিনের হাতে। শুধু তাই নয়, বিশ্বের শীর্ষ ১০টি ব্যাঙ্কের মধ্যে সাতটিই চিনের সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক। শীর্ষ ১০-এ বাকি ব্যাংকগুলির কোন দেশের? ভারতের হাল কী? আসুন জেনে নেওয়া যাক। 

শীর্ষ ১০-এর তালিকায় চিনের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক

ব্যাংকার ম্যাগাজিনের তালিকা অনুযায়ী, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অফ চায়না (ICBC), চায়না কনস্ট্রাকশন ব্যাংক (CCB), এগ্রিকালচারাল ব্যাংক অফ চায়না (ABI) এবং ব্যাংক অফ চায়না (BOC) প্রথম চারটি স্থান অধিকার করে রয়েছে। এই ব্যাংকগুলি ২০১৯ সাল থেকে একই স্থান ধরে রেখেছে। এছাড়া, ২০০৭ সালে একটি পোস্ট অফিস সঞ্চয়ী কাউন্টার থেকে গঠিত ‘দ্য পোস্টাল সেভিংস ব্যাংক অফ চায়না’ প্রথমবারের মতো শীর্ষ ১০-এ জায়গা করে নিয়েছে। শীর্ষ ১০০ ব্যাংকের মধ্যে মধ্যে ২২টি চিনা ব্যাংক রয়েছে। আর পঞ্চম স্থানটি দখল করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেপিমরগ্যান চেজ। ষষ্ঠ ও অষ্টম স্থানে রয়েছে ব্যাঙ্ক অব আমেরিকা ও সিটিগ্রুপ। তবে শীর্ষ ১০০-এর তালিকায় স্থান করে নিতে পারেনি ভারতের কোনো ব্যাংকই।

চিনের কি উদ্দেশ্য ?

চীনের সমস্ত প্রধান ব্যাংকই দেশের সরকারের অধীনস্থ এবং এই ব্যাংকগুলি ব্যবসার চেয়ে বৈদেশিক নীতির জন্য তাদের ফান্ড বেশি ব্যবহার করে। এই ব্যাংকগুলোর কাছে এত বেশি অর্থ রয়েছে যে, তারা পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশের মতো প্রতিবেশী দেশগুলিকে প্রচুর অর্থ ঋণ হিসাবে দিতে পারে। আর যখন এই দেশগুলো তাদের ঋণ পরিশোধ করতে পারে না, তখন চীন সেই দেশগুলির ভূখণ্ড বা বন্দর দখল করে নেয়। একে ‘স্ট্রিং অফ পার্লস’ (String of Pearls) স্ট্র্যাটেজি বলে, যা সহজ ভাষায় ভারতকে ঘিরে ফেলার কৌশল।  ‘স্ট্রিং অফ পার্লস’ কৌশল একটি ভূ-রাজনৈতিক তত্ত্ব হিসেবে গণ্য করা হতে  পারে, যা থেকে বোঝা যায় চীন কীভাবে সমুদ্র ও স্থলপথে ভারতকে ঘিরে ফেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

জানিয়ে রাখি, চীনের বৃহত্তম ব্যাংক হল আইসিবিসি (ICBC)। এই ব্যাংকের অ্যাসেটের পরিমাণ ৭.৬ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ভারতের মোট জিডিপির (GDP) অর্ধেক। চীনের শীর্ষ ব্যাংকগুলোর তুলনায় ভারতের বৃহত্তম ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (SBI) অনেকটাই ছোট। চিন নিজের দেশীয় ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে মার্কিন ডলারকে বিশ্ব বাণিজ্যে থেকে নির্মূল করে, তার পরিবর্তে ইউয়ানের ব্যবহার চালু করতে চায়।

আরও পড়ুনঃ “ভারত বিরোধী কার্যকলাপ বন্ধ করুন!” মিয়ানমারে দাঁড়িয়ে কড়া বার্তা অজিত ডোভালের

যেহেতু এই ব্যাংকগুলোতে ফান্ডের কোনো অভাব নেই, তাই চিনের সরকার ভবিষ্যতের প্রযুক্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ লাভের জন্য আর্টিফিসিয়াল ইন্ট্যালিজেন্স (AI) এবং ব্লকচেইনের (Blockchain) মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করছে। ভবিষ্যতেও যদি চীনা ব্যাংকগুলো এভাবেই ডিজিটাল ব্যাংকিং এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়েতে আধিপত্য বজায় রাখে, তবে তারাই অনলাইন সিকিউরিটি কোড ও প্রযুক্তি নির্ধারণ করবে, যা ভারতের জন্য সুবিধাজনক হবে না।

Leave a Comment