=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

বিশ্বে সম্মান নিয়ে টিকে থাকতে এবার যা যা করবে বাংলাদেশ

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শেখ হাসিনা জামানা শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশে (Bangladesh) শুরু হয়েছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শাসন। আর সেই শাসনকালেই বোধহয় সবচেয়ে বেশি রক্ত ঝরেছে হিন্দুদের! তারপরেও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন নতুন স্বপ্ন দেখছে ওপার বাংলার মানুষ। তবে গোটা বিশ্বে সম্মানের সাথে টিকে থাকতে হলে কী কী করতে হবে মুজিবের দেশকে? সেটাই বলে দিয়েছেন ওপার বাংলার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman)।

বিশ্বে সম্মান নিয়ে টিকে থাকতে কী করবে বাংলাদেশ?

বাংলাদেশের কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী সোমবার, বাংলাদেশের বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকার বাংলাদেশ-চিন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন তারেক রহমান। এদিন বিশেষ সভায় অংশ নিয়েই বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী বললেন, “সমস্ত নাগরিকের জন্য নিরাপদ এবং টেকসই বাসস্থান নিশ্চিত করাটা উন্নত বিশ্বের জন্য যতটা সহজ, বাংলাদেশের মতো জনবহুল রাষ্ট্রে সেই কাজটা ততটাও সহজ নয়।”

তারেক রহমানের কথায়, “এই প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সম্মানের সাথে টিকে থাকতে হলে আমাদের সব চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে। সাধারণ নাগরিকদের জন্য শুধুমাত্র বাসস্থানই নয়, বরং সেটাকে আরও নিরাপদ এবং টেকসই করে তোলাই আমাদের বর্তমান লক্ষ্য।” এদিন বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তারেক রহমান আরও বলেন, “বাংলাদেশের প্রত্যেকটি শহরে দিন দিন জনসংখ্যা বাড়ছে। জনবহুল হয়ে উঠছে রাজধানী ঢাকা। এছাড়া অন্যান্য জায়গার অবস্থাও প্রায় এক। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ ধারণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

আরও পড়ুন: ভারতীয় সেনার এই ৬ ‘দুর্বলতায়’ নজর রয়েছে পাকিস্তানের!

ওপার বাংলার প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার প্রত্যেক নাগরিকের জন্য বাসযোগ্য, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী বাসস্থান নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এদিন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মান রক্ষা করতে একাধিক পদক্ষেপের কথা জানানোর সাথে সাথে সে দেশের অভ্যন্তরে ঢাকার পাশাপাশি অন্যান্য শহরগুলিকে উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা ছাড়াও ওপার বাংলায় বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর কথাও বলেন তারেক। আর এসবের মধ্যে দিয়েই গোটা বিশ্বে সম্মান ধরে রাখতে পারবে বাংলাদেশ, এমনটাই মনে করছেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী!

Leave a Comment