=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ভবানীপুর ভোট মামলায় নয়া মোড়, বড় নির্দেশ ক্ষুব্ধ হাইকোর্টের!

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ছাব্বিশের বিধানসভায় নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে শুরু থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করে এসেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। শেষে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ভবানীপুর কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফল (Bhowanipore Election Case) এবং ভোট গণনার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পুনর্গণনার আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের করেছিল মামলা। এবার সেই মামলার শুনানিতে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করল আদালত। প্রয়োজনীয় নথি না পাঠানোয় এবার কলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করলেন বিচারপতি।

শিরোনামে ফের ভবানীপুরের মামলা

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ভবানীপুরের বিধানসভা ভোটের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে গত ১৬ জুন আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দায়ের করেছিলেন ইলেকশন পিটিশন। সেই মামলায় আদালত জানিয়েছিল যে, ভবানীপুর কেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ, EVM, VVPAT-সব তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে এবং আদালতের অনুমতি ছাড়া কিছু মোছা যাবে না। এবং আরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে, মামলায় যুক্ত বিবাদী পক্ষদের মামলার নোটিস পাঠাবে হাইকোর্টের অরিজিনাল সাইডের রেজিস্ট্রার। কারণ, আইন অনুযায়ী ইলেকশন পিটিশনের ক্ষেত্রে মামলায় সংযুক্ত অপরপক্ষকে নোটিশ জারি করতে হবে। এবং পরবর্তী শুনানি দিন সংযুক্ত সকল পক্ষ হাজির হলে তবেই হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন বিচারপতি। কিন্তু সেখানেই এবার বিলম্বতা দেখা গেল।

মমতার কাছে সময়মতো পৌঁছায়নি নথি

জানা গিয়েছে, আদালতের নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও মামলার প্রয়োজনীয় নথিপত্র এখনও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীর হাতে এসে পৌঁছায়নি। মঙ্গলবার হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি চলাকালীন মমতার পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষোভের সুরে জানান যে, আবশ্যিক কাগজপত্র হাতে না পাওয়ায় মামলার শুনানি কার্যকরভাবে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। শুধু তাই নয়, আদালত কক্ষে ক্ষোভ উগরে দিয়ে কল্যাণ বলেন, “কলকাতা হাইকোর্টের অলিখিত নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, নির্বাচনী মামলার নিষ্পত্তি পাঁচ বছরেও হয় না!” এই শুনে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত।

আরও পড়ুন: সাড়ে চার বছর পর মিলল সুখবর, জব কার্ডধারীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকল টাকা

ভবানীপুর বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল সংক্রান্ত বহুচর্চিত মামলায় আদালত প্রশ্ন তোলেন যে কেন যথাসময়ে প্রয়োজনীয় নথি পাঠানো গেল না? এরপরই স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয় যে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে প্রতিটি পক্ষকে নিজেদের কাছে থাকা প্রয়োজনীয় নথির কপি অপর পক্ষকে হস্তান্তর করতে হবে এবং সেই সংক্রান্ত হলফনামা আদালতে পেশ করতে হবে। আর সব পক্ষ নির্ধারিত নথিপত্র ঠিকমতো হাতে পেলেন কি না, তা সুনিশ্চিত করার দায়িত্বে থাকবেন হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল। সে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেবেন বিচারপতির কাছে।

Leave a Comment