=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ভারতে আসার আমন্ত্রণ, তারেক রহমানকে শুভেচ্ছাবার্তায় কী লিখেছিলেন মোদী? প্রকাশ্যে চিঠি

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: গতকাল অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান। তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। যদিও তিনি মুম্বাইয়ে এআই সামিট সম্মেলনে উপস্থিত থাকার কারণে বাংলাদেশে যেতে পারেননি। তাঁর জায়গায় সভানিধিত্ব করেছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। আর তাঁর হাতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন। প্রশ্ন উঠছে, কী লেখা ছিল ওই শুভেচ্ছা বার্তায়?

আসলে তারেক রহমানের জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ব্যক্তিগতভাবেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং ফোনালাপ করেছিলেন। ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নত করার উপরেই দেওয়া হয়েছে জোর। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে গণতন্ত্র আর উন্নয়নের প্রতি ভারত যে কতটা গুরুত্ব দেয় তাও সামনে এসেছে মোদীর অঙ্গভঙ্গিতে। পাশাপাশি যোগাযোগ, বাণিজ্য এবং প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ বলে জানানো হয়েছে। আর সবথেকে বড় ব্যাপার, ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির আওতায় ভারত বাংলাদেশকে সবথেকে বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবেই দেখে বলে জানিয়েছে।

চিঠিতে কী লিখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী?

রিপোর্ট অনুযায়ী ওই চিঠিতে লেখা ছিল—-

মহামান্য,

সদ্যসমাপ্ত বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিজয় আর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে আপনার নিযুক্তির জন্য অভিনন্দন। এই উচ্চ পদের দায়িত্বে আপনার সাফল্য কামনা করি। আপনার বিজয় বাংলাদেশের জনগণের এবং আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস প্রচার করবে। দুই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে, যা ইতিহাস, সংস্কৃতিক বন্ধন এবং শান্তির সঙ্গে জড়িত। উন্নয়নমূলক অগ্রাধিকারের জন্য শক্তিশালী সমন্বয় বজায় রাখার দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই। আমাদের বহুমুখী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে হবে। আর বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা, জনগণের সঙ্গে বিনিময়ও বিস্তৃত করতে হবে। দ্রুত বর্ধনশীল দুটি অর্থনীতি আর উচ্চাকাঙ্ক্ষী সমাজ হিসেবে ভারত এবং বাংলাদেশ একে অপরের উন্নয়নের জন্যই পারস্পরিক সমৃদ্ধি বজায় রেখে কাজ করবে।  আর এই সুযোগে আমি আপনাকে এবং আপনার মেয়ে-জামাইকে সুবিধা মতো ভারত ভ্রমণের জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। ভারত আপনাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবে। আপনার সুস্বাস্থ্য এবং সাফল্যের জন্য শুভেচ্ছা গ্রহণ রইল। —নরেন্দ্র মোদী

মহামান্য তারেক রহমান,
প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ, ঢাকা

আরও পড়ুন: হোলির আগেই মিলবে সুখবর? সুদের হার নিয়ে বড় ঘোষণা করতে পারে EPFO

মোদ্দা কথা, বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক উন্নত করার জন্য এবার ইতিবাচক ইঙ্গিত পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর বিএনপি এবং তারেক রহমানের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির নিজেই জোর দিয়ে বলেছিলেন যে, তারা ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করতে চায়। তাঁর বিশ্বাস, দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়লে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও বাড়বে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের দিক থেকেও উন্নতি হবে। এখন দেখার, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।

Leave a Comment