প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) নিয়ে এবার সরাসরি মুখ খুললেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এক সাক্ষাৎকারে রাহুল গান্ধীর বিদেশ সফর এবং নির্বাচনী প্রচার ও সংসদের অধিবেশনে তাঁর উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। আর সেই ভিডিয়ো (Dilip Ghosh On Rahul Gandhi) সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই তুমুল শোরগোল শুরু হয় রাজনৈতিক মহলে। এমনকি ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন করার পদ্ধতি নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না মন্ত্রী দিলীপ।
রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করলেন দিলীপ
গতকাল শুক্রবার নিউ টাউনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ রাহুল গান্ধীকে নিয়েও মুখ খুলেছিলেন। এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধীকে নিয়ে যা কিছু আলোচনা হয়, তা কেবল তিনি কেন বিদেশে গেলেন, কবে গেলেন, কোথায় গেলেন আর কবে ফিরবেন এইটুকুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু রাজনীতিতে তিনি কী করছেন, তাঁর অবদান কী, কিংবা তাঁর দলের নির্বাচনী ফলাফল কেমন এসব নিয়ে কোনো আলোচনা কেন হয় না?” এদিন ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন নিয়েও তিনি মুখ খুলেছিলেন।
#WATCH | Kolkata, West Bengal: State Minister Dilip Ghosh says, “The only discussions surrounding Rahul Gandhi revolve around why he went abroad, when he left, where he went, and when he will return—that is the extent of the conversation. Why is there no discussion about what he… pic.twitter.com/FWOsNIndI2
— ANI (@ANI) October 24, 2026
CJP আন্দোলন নিয়ে কী বললেন দিলীপ?
সাংবাদিকদের তরফে সিজেপি আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, “অনেকের ধারণা, সিজেপি-র ব্যানার হাতে নিলেই বুঝি যা খুশি তাই করা যায়। কিন্তু কাউকে এমন স্বাধীনতা দেওয়া হয়নি। কারণ দেশের একটা নিজস্ব আইন-শৃঙ্খলা আছে, এটি একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। আমরা সকলেই নিজের অধিকারের জন্য প্রতিবাদ করতে পারি, কিন্তু তার একটা পদ্ধতি আছে, সেক্ষেত্রে পুলিশ ও সরকার নিশ্চয়ই সহযোগিতা করবে। কিন্তু যেখানে-সেখানে গিয়ে যা খুশি করা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কারণ হয়ে ওঠার অনুমতি কাউকে দেওয়া হয়নি।”
আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর মাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ! চুঁচুড়ায় গ্রেফতার তৃণমূল কর্মী
সম্প্রতি বিচার বিভাগীয় হেফাজত থেকে মুক্তি পেয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টি-র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। নয়াদিল্লির স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট জানিয়েছে যে, শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা সংক্রান্ত উদ্বেগ নিরসনের জন্য তাঁদের লিখিত অঙ্গীকার ও বন্ডই যথেষ্ট। এদিকে মুক্তির পর, CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের শেয়ার করা একটি ভিডিওতে তাঁদের ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘ভারত মাতা কি জয়’ এবং ‘জ্ঞানু মাস্ট গো’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে CJP-র এই আন্দোলন ভবিষ্যতে আরও ভয়ানক হতে পারে।