=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

মটন বিরিয়ানি খাচ্ছে গণেশ? হিন্দু দেব-দেবীর ছবি নিয়ে ছেলেখেলা! বিক্ষোভ ডায়মন্ড প্লাজায়

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: দমদমের (DumDum) ডায়মন্ড প্লাজার (Diamond Plaza) উল্টোদিকে একটি খাবারের দোকানের (Restaurant) সামনে দেবদেবীর ছবি ব্যবহার করে তৈরি একটি প্ল্যাকার্ড ঘিরে তৈরি হয়েছে তুমুল বিতর্ক। অভিযোগ, ওই প্ল্যাকার্ডে দেবী দুর্গাকে গণেশকে মটন বিরিয়ানি খাওয়াতে দেখা গিয়েছে। পাশাপাশি গণেশের ছবির পাশে লেখা রয়েছে, ‘দেখেই জিভে জল আসছে।’ এই ছবি প্রকাশ্যে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ।

রেস্তোরাঁর সামনে বিক্ষোভ চালালো এলাকাবাসী

ঘটনাটি নজরে আসার পর রেস্তোরাঁটির সামনে প্রতিবাদে সামিল হন এলাকার মানুষজন। তাঁদের বক্তব্য, ধর্মীয় ভাবাবেগের সঙ্গে যুক্ত দেবদেবীর ছবি এভাবে আমিষ খাবারের প্রচারের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে? এটা কি আদৌ যুক্তিসঙ্গত? স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এ ধরনের ছবি তাঁদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে।

এক স্থানীয় বাসিন্দার কথায়, “অনেক কষ্ট করে আমরা একজন হিন্দুত্ববাদী সরকারকে এনেছি আমাদের রাজ্যে। এরপরেও এইরকম অনাচার করার সাহস ওরা কীভাবে পাচ্ছে? একজন খ্রিস্টান বা মুসলিম কি কখনও এরকম করে? নিজের ঠাকুর-দেবতার ছবি নিয়ে এরকম নোংরামি করে?” ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় ক্ষোভের পাশাপাশি প্ল্যাকার্ডটি সরানোর দাবিও ওঠে।

এই বিষয়টি প্রথম নজরে আসে সমাজসেবী অভিজিৎ দাসের। তাঁর দাবি, সকালে গাড়ি করে যাওয়ার সময় হঠাৎ তাঁর চোখে পড়ে প্ল্যাকার্ডটি। তিনি তখনই সেটির একটি ভিডিও করেন এবং পরে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেন। অভিজিৎ দাস বলেন, “আমি সকালবেলা গাড়ি করে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ এই বিষয়টা আমার চোখে পড়ে। তখনই আমি একটা ভিডিও করে নিই। তারপর আমি সেটা আমার ফেসবুকে পোস্ট করি।”

অভিজিৎ দাস আরও বলেন, “অত্যন্ত লজ্জার বিষয় এটা আমাদের ধর্মের জন্য। আমি এর প্রতিবাদ চাই।” ডায়মন্ড প্লাজার উল্টোদিকের ওই রেস্তোরাঁকে ঘিরে স্থানীয়দের বিক্ষোভের পর ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চর্চা শুরু হয়েছে। দেবদেবীর ছবি বাণিজ্যিক প্রচারে এভাবে ব্যবহার করা উচিত কি না, সেই প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে।

আরও পড়ুন: আর খরচ করতে হবে না এক পয়সাও, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যাবে ISL, কোথায়?

কয়েকজন বিক্ষোভকারী দোকানের ভিতর ঢুকে পড়েন। রিসেপশনে থাকা ব্যক্তিকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন তার ছেলেপুলেরা এমন কাজ করেছে। ব্যক্তি নিজেও একজন হিন্দু। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে সেখানে পুলিশ হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়। এরপর এই ধরনের প্ল্যাকার্ড যেখানে যেখানে লাগানো হয়েছে সব জায়গা থেকে উৎখাত করার কাজ শুরু হয়।

Leave a Comment