=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

মমতার ছবির না টাঙালে অনুদান বন্ধের হুঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের! কটাক্ষ শুভেন্দুর

Durga Puja Grant

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: হাতে মাত্র আর বাকি কয়েকটা দিন, তারপরেই শুরু হতে চলেছে বাঙালির প্রাণের দুর্গা পুজো। তাই চারিদিকে তোড়জোড় চলছে জোর কদমে। প্রতিটি ক্লাবগুলোতে শুরু হয়ে গিয়েছে পুজো অনুদান (Durga Puja Grant) বিলি। চলতি বছর রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি পুজো কমিটিকে দেওয়া হচ্ছে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। বেশ খুশি সকলে। কিন্তু এবার সেই পুজোর অনুদান নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে জড়িয়ে পড়লেন পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারের তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার দে।

পুজোর অনুদান নিয়ে হুঁশিয়ারি!

গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার দে নন্দকুমারের বিডিও অফিস চত্বরে দুর্গাপুজোয় ক্লাবগুলিতে সরকারি অনুদান বিলির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় পুজো কমিটিগুলির উদ্দেশে তিনি বলেন, “ অনেক জায়গায় দেখছি পুজোর অনুদান পাওয়ার পরেও অনেক ক্লাব মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি লাগাচ্ছেন না। তাই আমি এবার ব্যক্তিগতভাবে তালিকা হাতে নিয়ে মণ্ডপগুলি ঘুরে দেখব। যদি কোনও ক্লাবে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি টাঙানো না থাকে তাহলে পরের বছর অনুদান আটকে দেওয়া হবে।” পাশাপাশি সুকুমার দে তাঁর কথায় জানান, “যিনি এই অনুদান দিচ্ছেন, তাঁকে সম্মান জানানো আমাদের উচিত।” কিন্তু তাঁর বলা কথার সুর অনেকের কাছেই হুঁশিয়ারি হিসেবে ঠেকেছে। যা নিয়ে দলের অন্দরে এক অসন্তোষের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

কটাক্ষ শুভেন্দুর

একেতেই পুজোয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১ লাখ ১০ হাজার টাকার অনুদান দেওয়া নিয়ে এক চাপানউতোর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক শিবিরে। তার উপর তৃণমূল বিধায়কের এই হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য রীতিমত বিক্ষুব্ধমূলক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। তাই এবার এই বক্তব্যকে ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও শেয়ার করে তিনি লেখেন, “এটা জনগণের করের টাকা, কারও পৈতৃক সম্পত্তি নয়। সরকার ধার করে এই অনুদান দিচ্ছে। কিন্তু নন্দকুমারের বিধায়ক সুকুমার দে যেভাবে ক্লাবগুলিকে ধমকাচ্ছেন মনে হচ্ছে অনুদানের টাকা যেন ওনাদের পৈতৃক সম্পত্তি।”

আরও পড়ুন: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে জেল না জামিন! চন্দ্রনাথের মামলায় ইডিকে তোপ আদালতের

চারিদিকে যখন পুজোর অনুদান নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে তখন চুপ থাকেনি বিধায়ক সুকুমার দে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “মুখ্যমন্ত্রীর অনুদান বারবার আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হলেও তা চালু রয়েছে। অথচ কিছু ক্লাব মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের প্রকল্পগুলির কথা তুলে ধরছে না। নিজেদের কৃতিত্বকে তুলে ধরছে। এদিকে কেন্দ্রের প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রীর ছবি থাকে, অন্য রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি থাকে। তাহলে আমাদের রাজ্যে কেন থাকবে না?” যদিও এখনও পর্যন্ত এর পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেননি শুভেন্দু অধিকারী। এর আগেও মুখ্যমন্ত্রীর ছবি টাঙাতে অসুবিধা থাকলে সরকারি অনুদান না নেওয়ার নিদান দিয়েছিলেন ভাতার বিধানসভার বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী। যা নিয়ে শুরু হয়েছিল তীব্র সমালোচনা।

Leave a Comment