রাজ্য সরকারের তরফ থেকে SC, ST ছাত্র-ছাত্রীদের এবার থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে, যা তাদের সরকারি মেডিক্যাল (Medical) এবং ইঞ্জিনিয়ারিং (Engineering) কলেজে ভর্তির সুযোগ করে দেবে। কঠিন প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও আর্থিক অনটনের জন্য বহু SC, ST ছাত্র-ছাত্রীরা মেডিকেল বা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে (Engineering College) পড়ার সুযোগ পেত না। খবর সামনে আসতেই ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি (CM Mohan Charan Majhi) নতুন পদক্ষেপ নিলেন।
SC, ST ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে পঠনপাঠন
ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ওড়িশায় বসবাসকারী এসসি এবং এসটি ছাত্রছাত্রীদের সরকারি মেডিকেল এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বিনামূল্যে পঠন-পাঠনের সুযোগ করে দেওয়া হবে। ফলত কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও আর্থিক অনটনের জন্য তাদের শিক্ষা পিছিয়ে থাকবে না। বহু তপশিলি জাতি এবং তপশিলি উপজাতির ছাত্র-ছাত্রীরা কঠিন প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও ভর্তির সময় আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়। এটি জানার পরেই সোমবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী এই নির্দেশনা জারি করেন।
ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “তপশিলি জাতি এবং উপজাতির ভর্তির সময় এবং ভর্তির পর ছয় মাস পর্যন্ত কোনও ফি দিতে হবে না। সুতরাং এটি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি নতুন আশার আলো জাগিয়ে তুলছে।” নতুন ব্যবস্থা অনুযায়ী, যোগ্য ছাত্রছাত্রীরা কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কাছ থেকে বৃত্তির অর্থ পাওয়ার পর সুবিধা মতো তাদের ভর্তি ও টিউশন ফি পরিশোধ করতে পারবে।
আরও পড়ুন: ১৫% মকুব! পশ্চিমবঙ্গ সরকার আদৌ ডিএ মেটাতে চাইছে? টালবাহানা নিয়ে বিস্ফোরক কর্মী
এই ছাত্রছাত্রীরা সাধারণত কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার উভয়ের কাছ থেকেই বিভিন্ন বৃত্তি পেয়ে থাকে। তবে, প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর বৃত্তির অর্থ পেতে প্রায় ৩ থেকে ৪ মাস সময় লাগে। তাই, নতুন ব্যবস্থা অনুযায়ী, ছাত্রছাত্রীরা তাদের বৃত্তির অর্থ পাওয়ার পরেই সুবিধামত তাদের ভর্তি ও টিউশন ফি জমা দিতে পারবে। মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ের (সিএমও) বিবৃতিতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে শীঘ্রই একটি নির্দেশিকা জারি করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।