=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

রাজনীতিতে হাইকোর্টের আরেক বিচারপতি? বিশ্বজিৎ বসুকে নিয়ে বাড়ল জল্পনা

Calcutta High Court

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি পদ থেকে অবসর নেওয়ার পরেই বলেছিলেন রাজনীতিতে যোগ দেবেন। পরে কৌতূহল বেড়েছিল সকলের যে কোন দলে সে যোগ দেবেন, শেষ পর্যন্ত গেরুয়া পতাকা ধরেছিলেন। এমতাবস্থায় প্রশ্ন উঠছে প্রাক্তন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর (Justice Biswajit Basu) রাজনীতিতে যোগদানের বিষয় নিয়ে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকার পর্বে তিনি উগরে দিলেন বিচার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্র ও শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতি ও স্কুল-কলেজ পরিচালনা নিয়ে এক ভয়ংকর দিক।

বিচার ব্যবস্থা নিয়ে কী বললেন বিশ্বজিৎ বসু?

হাইকোর্টের বিচারপতি পদ থেকে অবসরের পর প্রথম সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। জনপ্রিয় সংবাদসংস্থা এবিপি আনন্দে সাক্ষাৎকার পর্বে এদিন সাংবাদিক সুমন দে রাজ্যে নানা দুর্নীতিমূলক ঘটনা, অত্যাচার থেকে শুরু করে আর জি কর কাণ্ড-সহ একাধিক ইস্যু নিয়ে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর মতামত চান। সেই সময় বিচারপতি বসুকে বলেন, “বিচার ব্যবস্থার স্বাস্থ্য ভালো নেই।” এছাড়াও আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় হাই কোর্টের নির্দেশের পর সুপ্রিম কোর্টে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা কতটা যুক্তিযুক্ত সে প্রসঙ্গেও প্রশ্ন ওঠে। তিনি বলেন, “ক্ষমতাবলে সুপ্রিম কোর্ট সেটা করতে পারে। তবে মানুষের অনাস্থা বা হতাশা সবটাই কিন্তু এসে পড়ে বিচার ব্যবস্থার উপরে।”

আরও পড়ুনঃ ১৫০০ টাকা ভাতা! জানুন বাংলার যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন প্রক্রিয়া ও ডকুমেন্ট

রাজনীতিতে যোগ দেবেন বিচারপতি বসু?

সাক্ষাৎকার পর্বে প্রাক্তন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুকে বর্তমানে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ও নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। সেই সময় তাঁকে বলতে শোনা যায়, “শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি যে শিক্ষাকে ধ্বংস করেছে শুধু তা নয়। এর শিকড় আছে আরও অনেক গভীরে।” এই মন্তব্যের মাধ্যমে রাজ্য প্রশাসনকে যে তিনি নাম না করে টার্গেট করেছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এছাড়াও তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন যে, “আজকালকার দিনে শিক্ষকরাও দেখা যাচ্ছে শিক্ষা প্রদান করা ছাড়াও বাকি কাজ করছে।” তবে তিনি পরবর্তীতে আদেও রাজনীতিতে যোগ দেবেন কিনা সেই নিয়ে কোনো মতামত প্রকাশ করেনি। তাই জল্পনা বাড়ছে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের দেখানো পথে হাঁটতে চলেছেন কিনা বিশ্বজিৎ বসু?

আরও পড়ুন: মাধ্যমিকের মধ্যেই হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা, গোপন থাকবে পরীক্ষার্থীর পরিচয়?

প্রসঙ্গত গত ৩ জানুয়ারি বিচারপতি পদ থেকে অবসর নিয়েছিলেন বিশ্বজিৎ বসু। কিন্তু তার জন্য তিনি হাইকোর্ট থেকে অবসরের সময় বিদায়ী সংবর্ধনা নেন না, যা নিয়ে তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। আসলে তিনি অভিমান করেছিলেন আইনজীবীদের সংগঠনের উপর। তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, তিনি স্পষ্টতই জানিয়েছেন যেভাবে অপমান করা হয়েছিল তাঁকে তখন কেউ নিন্দা প্রকাশ করে এগিয়ে আসেননি। এমনকি কেউ কোনও বিবৃতি দেয়নি। তাই বিদায়ের সময় আইনজীবীদের কাছে মিষ্টি মিষ্টি কথা শুনতে চান না বলেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বিশ্বজিৎ বসু।

Leave a Comment