=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

রাজ্য সরকারের গুণ্ডা দমন বিলে সই করলেন না রাষ্ট্রপতি, ফেরত এল নবান্নে

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রাজ্যে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেই লক্ষ্যে বিধানসভায় গুণ্ডা দমন বিল (Anti-Goonda Bill) পেশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে বিতর্কিত সেই ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ আন্টি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিস বিল ২০২৪-২৬ বিলে স্পষ্ট আইনি সংঘাতের কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তা পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠালেন। ফলে শুরুতেই ধাক্কা খেল শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন সরকার। কার্যত ওই বিলে সই করলেন না রাষ্ট্রপতি।

গুণ্ডা দমন বিল ফেরত পাঠালেন রাষ্ট্রপতি

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় এই বিল পেশ করার পর থেকেই বিরোধীরা আপত্তি জানিয়ে আসছেন। চলতি জুন মাসে বিলটি পেশ করা হয়। তবে কেন্দ্রের তরফ থেকে পাঠানো নোটিশে জানানো হয়েছে যে, ওই বিলের একটি নির্দিষ্ট ধারা মাদক সংক্রান্ত অপরাধের ক্ষেত্রে প্রতিরোধমূলক আটক ব্যবস্থা তৈরি করতে পারে। এমনকি এই ধারা কেন্দ্রের এনডিপিএস অ্যাক্ট ১৯৮৫-র সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সেখানে ভারতীয় সংবিধানের ২৫৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনি জটিলতা তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই রাষ্ট্রপতি এই বিলটি অনুমোদন না দিয়ে পুনর্বিবেচনার জন্য পাঠিয়েছেন।

রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা এ বিষয়ে জানিয়েছেন, সরকার দ্রুত এই আইন চালু করতে চেয়েছিল। তাই নিঃসন্দেহে এটি নতুন সরকারের জন্য একটি বিরাট ধাক্কা। কিন্তু বিলে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে বিধানসভায় নতুন করে পাস করিয়ে পুনরায় রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানোর সুযোগ রয়েছে। এই বিলের আওতায় বিক্ষোভ, দাঙ্গা, ভাঙচুর বা আগুন লাগিয়ে কোনও সরকারি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তি সম্পত্তির ক্ষতি হলে, ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে সরকার। পাশাপাশি এর জন্য অভিযুক্তের স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করাও যেতে পারে। এমনকি সবচেয়ে বড় ব্যাপার, প্রশাসন যদি মনে করে যে কেউ জন-নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক বা সমাজবিরোধী চক্রান্তে জড়িত, তাহলে তাঁকে ঘটনার আগেই বিনা বিচারে সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত আটক করে রাখা যাবে।

আরও পড়ুন: অক্টোবর মাসে ১৬ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক, তালিকা দিল RBI

বস্তুত, গত ১৩ জুলাই পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর হয়েছিল এই গুণ্ডা দমন আইন। তবে সেই আইনের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে বিরোধীরা। গত ৬ আগস্ট হাইকোর্টের বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ ওই বিলকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া তিনটি মামলা খারিজও করে দেয় এবং আদালত জানিয়ে দেয় যে, রাষ্ট্রপতি এখনও সই করেননি। তাই এটি আইন হিসেবে কার্যকর হয়নি। এখন দেখার, বিলটি পুনরায় যাচাই করার পর রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দেন কিনা।

Leave a Comment