সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বড় খবর। কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকায় অবস্থিত সোহরাবুর্দি অ্যাভিনিউ (Suhrawardy Avenue) দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। অবশেষে রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হতেই কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের তরফ থেকে সেই রাস্তার নাম পরিবর্তন করে রাখা হল গোপাল মুখার্জী রোড। গতকালই এ বিষয়ে পুরসভার তরফ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। আর আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আনুষ্ঠানিকভাবে তা ঘোষণা করলেন।
পরিবর্তন হল কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম
প্রসঙ্গত, গতকাল রাজ্যজুড়ে পালিত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ দিবস। এমনকি বাংলায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে দীর্ঘদিন ধরেই পার্ক সার্কাস এলাকায় এই সোহরাওয়ার্দী অ্যাভিনিউ রাস্তা নিয়ে বিতর্ক চলছিল। দাবি ছিল এই রাস্তার নাম পরিবর্তনের। অবশেষে তাতেই শিলমোহর দিল কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশন। আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডেলে পুরসভার বিজ্ঞপ্তি শেয়ার করে লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গ দিবসের পবিত্র লগ্নে গতকাল কলকাতা পৌরসংস্থা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার ভূয়সী প্রশংসা করি। এই সিদ্ধান্ত অতীতে ঘটে যাওয়া একটি ঐতিহাসিক সংশোধনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এখন থেকে সোহরাওয়ার্দী অ্যাভিনিউর নতুন নাম হবে গোপাল মুখার্জী রোড।”
I commend the historic decision taken by the Kolkata Municipal Corporation, yesterday, on the solemn occasion of Paschimbanga Divas, which would be instrumental in rectifying a historical wrong.
Suhrawardy Avenue will now be renamed as Gopal Mukherjee Road.For decades, a major… pic.twitter.com/eUmZj1msE9
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) June 21, 2026
আরও পড়ুন: এই ১৬টি ওষুধ নিষিদ্ধ করে দিল সরকার, আপনি খাচ্ছেন না তো?
মুখ্যমন্ত্রীর আরও সংযোজন, “আমাদের শহরের একটি প্রধান সড়কের নাম এমন একজনের নামে ছিল যিনি কিনা নিছক রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রের ক্ষমতাতে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে নিরাপরাধ নাগরিকদের গণহত্যার আয়োজন করেছিলেন। আর হাজার হাজার নিরাপরাধ মানুষের জীবন রক্ষায় যিনি রক্ষকের ভূমিকা পালন করেছিলেন, সেই নির্ভীক ব্যক্তি স্বর্গীয় গোপাল মুখোপাধ্যায়ের নামে সড়কটি নতুন নামকরণ করার মাধ্যমে একজন প্রকৃত অভিভাবক ও ত্রাণকর্তাকে সম্মান জানানো হবে। এর ফলে ঐতিহাসিক ন্যায় বিচারও প্রতিষ্ঠিত হবে। এখনই উপযুক্ত সময় পশ্চিমবঙ্গ যাতে প্রকৃত বীরদের কথা স্মরণ করে, আর ভুল সংশোধন করে এবং তাঁদের যথাযথ সম্মান জানায়।”