বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দোরগোড়ায় শারদোৎসব (Durga Puja)। মায়ের আগমনে উৎসবের মেজাজে মেতে উঠবেন এপার বাংলা এবং ওপার বাংলা দুই বঙ্গের মানুষ। আর হিন্দুদের এই বিশেষ সব উপলক্ষ্যে মূলত তিনদিনের ছুটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার (Bangladesh)। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সিদ্ধান্তে, 20 অক্টোবর থেকে 22 অক্টোবর পর্যন্ত পুজোর ছুটি পাচ্ছে ওপার বাংলার মানুষজন। কিন্তু ঠিক কারা পাচ্ছেন এই ছুটি? চলুন জেনে নেওয়া যাক সবটা।
কাদের ছুটি দিচ্ছে তারেক সরকার?
আগামী 17 অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে পুজো। সেদিন বাংলাদেশের সমস্ত সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বা অফিস খোলা থাকবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে বাংলাদেশে মোট তিন দিন ছুটি থাকবে। তবে বিভিন্ন জরুরি পরিষেবা যেমন বিদ্যুৎ, জল, গ্যাস, অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বিভিন্ন বন্দর কর্মী, পরিচ্ছন্নতার কাজকর্মের সাথে যুক্ত ব্যক্তি, ডাক সেবা, টেলিফোন বা ইন্টারনেট পরিষেবার সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে দেওয়া ছুটির তালিকাভুক্ত নন। অর্থাৎ এরা ছুটি পাচ্ছেন না।
একই সাথে, হাসপাতাল থেকে শুরু করে অন্যান্য জরুরি পরিষেবা, বিভিন্ন চিকিৎসক, ওষুধ সরবরাহকারী সংস্থায় যুক্ত কর্মীরাও দুর্গাপুজোয় ছুটি পাচ্ছেন না। একইভাবে বাংলাদেশে জরুরি কাজের জন্য পরিচিত অফিসগুলিতেও কার্যকর হচ্ছে না ছুটি। এছাড়া অন্যান্য দপ্তর বা অফিসের কর্মীরা দুর্গাপুজোয় বাংলাদেশ সরকারের তরফে দেওয়া ছুটি পেতে পারেন।
আরও পড়ুন: ‘জনগণ আপনাকে বিশ্বাস করবে’ রাহুল গান্ধীকে বড় বার্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম বাংলা নিউজ 24 এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওপার বাংলায় ব্যাঙ্কিং কাজকর্ম চালু থাকবে না পুজোর সময় বন্ধ থাকবে সেই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশের ব্যাঙ্কগুলি। এর পাশাপাশি আদালতের কার্যক্রম পুজোয় বন্ধ থাকবে কিনা সেই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করবে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট। এছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন কলকারখানা থেকে শুরু করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি পুজোয় কতদিন বন্ধ থাকবে সেই নির্দেশিকা জারি করবে ওপার বাংলার কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।