=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

১২ লক্ষ টাকা বেতনের চাকরি ছেড়ে শুরু করেন UPSC-র প্রস্তুতি! কোচিং ছাড়াই হন IPS

IPS Officer Sayem Raza

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: নিজের ভিতরে যদি স্বপ্ন থাকে, তাহলে পথ যতই কঠিন হয় না কেন, সাফল্য ঠিকই একদিন ধরা দেয়। হ্যাঁ, এই কথাটাকে বাস্তব করে দেখালেন বিহারের মুজাফফরপুরে তরুণ সায়েম রাজা। বছরে ১২ লক্ষ টাকার মোটা বেতনের চাকরি ছেড়ে দিয়ে ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তিনি। এমনকি কোনও কোচিং ছাড়াই কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অবশেষে তিনি আইপিএস অফিসার (IPS Officer Sayem Raza) হিসেবে দেশের সবথেকে কঠিন পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করলেন। আজ তাঁর কথাই জানাবো এই প্রতিবেদনে।

পরিবারই ছিল সবথেকে বড় শক্তি

একাধিক তথ্য অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, সায়েম রাজার বাবা মুনাওয়ার রাজা ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্কের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী আর তাঁর মা একজন গৃহিণী। পরিবারের সাধারণ পরিবেশেই তিনি বড় হয়ে উঠেছিলেন। তবে তাঁর পরিবারে বাবা-মায়ের সমর্থন ছিল সবথেকে বড় প্রেরণা। যখন সায়েম চাকরি ছেড়ে ইউপিএসসি-র প্রস্তুতির সিদ্ধান্ত নেন, তখন তাঁর বাবা-মা কোনওরকম দ্বিধা না করেই ছেলের উপর সম্পূর্ণ বিশ্বাস রাখেন।

জানা যাচ্ছে, মুজাফফরপুরেই প্রাথমিক পড়াশোনা করেন সায়েম। এরপর তিনি বেঙ্গালুরুতে গিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনা করেছিলেন। আর সেখান থেকেই বিটেক ডিগ্রি অর্জন করেন। পড়াশোনা শেষ করে একটি নামিদামি সংস্থায় ডেটা সাইন্টিস্ট পদে চাকরি পেয়েছিলেন, যেখানে বছরে ১২ লক্ষ টাকা প্যাকেজের বেতন ছিল। এরপর দীর্ঘ পাঁচ বছর সেই চাকরি করেন সায়েম।

করোনার সময় বদলে গেল পরিস্থিতি

রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় বাড়িতে ফিরে এসে ওয়াক ফর্ম হোম বা রিমোট কোটায় চাকরি চালিয়ে যান সায়েম। তবে সেই সময় তাঁর মনে প্রশ্ন জাগতে শুরু করে, আমি যদি নিজের জন্য কাজ করতে পারি, তাহলে সমাজের জন্য কেন করব না! লাখ টাকার বেতন থাকা সত্ত্বেও যেন মানসিক শান্তি পাচ্ছিলেন না সায়েম। সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা থেকেই তিনি সিভিল সার্ভিসে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: ১২ লক্ষ টাকা বেতনের চাকরি ছেড়ে শুরু করেন UPSC-র প্রস্তুতি! কোচিং ছাড়াই হন IPS

সেই মনোভাব নিয়েই সায়েম তাঁর বাবাকে জানান যে, সে ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবে। তবে ছেলের সিদ্ধান্তে তাঁর বাবা গর্ব অনুভব করেন এবং সম্পূর্ণ সমর্থন করেন তাঁকে। সবথেকে বড় ব্যাপার, কোনও কোচিং ইনস্টিটিউটে না গিয়ে বাড়িতে বসেই ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন সায়েম। টানা প্রায় তিন বছর ধরে নিরলস পরিশ্রম করে দিনরাত এক করে সে এই পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করেন।

হ্যাঁ, ২০২৩ সালে প্রথমবার ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসেছিলেন সায়েম রাজা। আর সাধারণ বিভাগে তিনি ১৮৮ তম অল ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্ক অর্জন করেন। সেই সাফল্যের সূত্রেই বর্তমানে তিনি আইপিএস অফিসার হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন, এবং তাঁকে নিজের রাজ্য বিহারে ক্যাডার হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। সুতরাং, একটা কথাই বলার, মনে অদম্য ইচ্ছা আর জেদ থাকলে কোনও কিছুই বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না, সবকিছু সম্ভব।

Leave a Comment