=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

৩০০০-র সাথে মিলবে আরও সুবিধা! অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম নিয়ে ঘোষণা অগ্নিমিত্রার

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: অনলাইন, অফলাইন দু’ভাবেই চলছে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Bhandar) ফর্ম ফিলাপ। প্রথমে ১২ পাতার ফর্ম দেখে তো আঁতকে উঠেছিল রাজ্যবাসী। কিন্তু টাকা ঢোকা শুরু করতেই সেই অভিযোগ ভ্যানিশ! রিপোর্ট বলছে, প্রথম ১৬ দিনে অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদন করেছেন মোট ৮৯ লক্ষ ৯৪ হাজার ২১৩ জন মহিলা। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ১২ পাতার ফর্ম পূরণ করল শুধু ৩০০০ টাকা নয়, বরং ভবিষ্যতে আরও অনেক প্রকল্পের সুবিধা পাবেন?

অন্নপূর্ণা যোজনার সাথেই মিলবে অন্যান্য সুবিধা

রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল প্রথমেই বলেছিলেন, “আগামী দিন আমরা এরকম অনেক প্রকল্প নিয়ে আসছি যার জন্য আমাদের ডেটা দরকার। ১২ পাতার ফর্ম নিয়ে আলোচনা চলছে এটা স্বাভাবিক। তবে এগুলো শুধুমাত্র অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য নয়। ডেটার জন্য। ফর্ম ফিলাপ না করতে পারলে যে আপনি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা পাবেন না এমনটা নয়। সরকারি কর্মচারীরা আপনাদেরকে ফর্ম পূরণ করতে সাহায্য করবে। তবে সমস্ত তথ্য সঠিক দিতে হবে।”

উল্লেখ্য, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্মে শুধুমাত্র আবেদনকারী নয়, বরং তাঁর পরিবারের সমস্ত সদস্যদের ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড, এমনকি স্বাস্থ্যসাথী আছে কিনা, পরিবারের কটি ঘর রয়েছে, কে কোন কাজ করে, কত ইনকাম সবকিছু জানতে চাওয়া হচ্ছে। আসলে এগুলি শুধু অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য নয়। ভবিষ্যতে রাজ্য বা কেন্দ্র সরকারের অন্যান্য স্কিমগুলি যাতে খুব সহজেই যোগ্য উপভোক্তাদের মধ্যে বন্টন করে দেওয়া যায় তার জন্যই এই উদ্যোগ রাজ্য সরকারের।

আরও পড়ুন: বাতিল হবে এদের রেশন কার্ড! ডিলারদের শরণাপন্ন খাদ্য দফতর

সরকারি সূত্র মারফত খবর, প্রথম ১৬ দিনে যে ৯০ লক্ষ মহিলার আবেদন জমা পড়েছে, তার মধ্যে আনুমানিক ৩ কোটি সাধারণ মানুষের তথ্য সরকারের হাতে পৌঁছেছে। কারণ, প্রত্যেকটি পরিবারে অন্ততপক্ষে তিনজন করে সদস্য রয়েছে। আর সেই সমস্ত তথ্যই সরকারি পোর্টালে আপলোড করা হচ্ছে, যার নাম রাখা হয়েছে ‘ফ্যামিলি লেভেল ডেটা কালেকশন পোর্টাল’। আবেদনকারীরা খুব সহজেই সোশ্যাল রেজিস্ট্রি সাইটে নিজেদের ডেটা আপলোড করতে পারছে। আর সবথেকে বড় ব্যাপার, ইতিমধ্যেই প্রথম ধাপে ৫১ লক্ষের বেশি উপভোক্তা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ৩০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন, এবং বাকিরাও হয়তো আগামী মাস থেকে পাবেন এমনটাই খবর। কিন্তু ১২ পাতার ফর্ম নিয়ে যে ধন্দা ছিল রাজ্যবাসীর, তা নিজেই দূর করলেন পুরমন্ত্রী।

Leave a Comment