=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

৩ মাসের মধ্যেই হতে পারে টেট পরীক্ষা? বড় আপডেট দিল পর্ষদ

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: এবার আর দেরি করা যাবে না, আগামী তিন মাসের মধ্যেই শুরু হবে টেট পরীক্ষা (TET Exam)। রাজ্যের তরফে সবুজ সঙ্কেত মিললেই শুরু হয়ে যাবে প্রস্তুতি এমনটাই জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (West Bengal Board Of Primary Education)। ইতিমধ্যেই পর্ষদের তরফে স্কুলশিক্ষা দফতরে পরীক্ষা সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। এদিকে এই খবর প্রকাশ্যে আসা মাত্রই নতুন করে আশার আলো দেখছেন চাকরি প্রার্থীরা।

টেট নিয়ে কিছুতেই কাটছে না জট

গত বছর সুপ্রিম কোর্ট টেট সংক্রান্ত মামলায় এক রায়ে জানিয়ে দিয়েছিল যে, ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের সব প্রাথমিক ও উচ্চপ্রাথমিক শিক্ষককে টেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতেই হবে। তবে এক্ষেত্রে রেহাই পাবেন শুধু প্রবীণ শিক্ষকরা, অর্থাৎ যাঁদের চাকরির মেয়াদ পাঁচ বছর বা তার কম সময় বাকি, তাঁরাই রেহাই পাবেন। পরে অবশ্য সেই মেয়াদ ২০২৮ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয় শীর্ষ আদালত। এদিকে এরই মধ্যে স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফে পর্ষদ ও স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে চিঠি দিয়ে জানতে চাওয়া হয় যে কবে তারা টেট নিতে পারবে। এবার সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন পর্ষদ।

টেট নিয়ে কী বলছে পর্ষদ?

বিকাশ ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পর্ষদ জানিয়ে দিয়েছে, অনুমতি মিললে তিন মাসের মধ্যেই তারা পরীক্ষা নিতে প্রস্তুত। এদিকে এই মুহূর্তে সারা দেশে ২০ লক্ষ শিক্ষক কর্মরত, যাঁরা টেট উত্তীর্ণ নন। এ রাজ্যে সেই সংখ্যা ৯০ হাজারের বেশি। শিক্ষকদের একাংশের দাবি, ২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন ২০১০ সালে কার্যকর হয়। সেই আইন অনুযায়ী বিধি তৈরি করে ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার্স ট্রেনিং। পশ্চিমবঙ্গে ২০১১ সালের জুলাইয়ে শিক্ষকদের যোগ্যতা সংক্রান্ত নিয়ম চালু হয়। সেখানে টেট বাধ্যতামূলক করা হয়। কিন্তু তার আগে যাঁরা শিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন, তাঁদের এই টেট-এর আওতায় আসার কথা নয়।

আরও পড়ুন: দিঘা-বহরমপুর বাসে পরিত্যক্ত ব্যাগে ২ লক্ষ টাকা, মালিককে ফিরিয়ে দিয়ে ‘হিরো’ কন্ডাক্টর

জানা গিয়েছে টেট সংক্রান্ত পরীক্ষায় শিক্ষকদের আবেদন, এই আইন কার্যকর হওয়ার আগে থেকে যে সকল শিক্ষক কর্মরত, তাঁদের এই নির্দেশের বাইরে রাখা হোক। ইতিমধ্যেই এই সমস্যা থেকে মুক্তির দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদনও করা হয়েছিল রাজ্য সরকারের তরফে। এমনকি কেন্দ্রের কাছে সংসদে অধ্যাদেশ জারি করে আইন সংশোধনের আর্জি জানিয়েছিলেন শিক্ষকেরা। যদিও সেই বিষয়ে কোনও সুরাহা হয়নি। তবে বাম শিক্ষক সংগঠনের তরফ প্রতিবাদের ডাক দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছিলেন রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন হলে টেট সমস্যার সমাধান করবেন। কিন্তু তা হয়নি।

Leave a Comment